রোজদিন ডেস্ক: তাঁদের আশা ছিল,রাজ্যের নতুন ডবল ইঞ্জিন সরকার কর্মরত শিক্ষকদের টেট দেওয়া নিয়ে আশঙ্কা দূর করে নিশ্চয়ই কোন ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবেন। বিশেষত বিধান সভা নির্বাচনের আগে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়ে গেছিলেন রাজ্যে ভোটে জিতলে তাঁরা বিষয়টি ভেবে দেখবেন।
রাজ্যে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর এই নিয়ে কোন ব্যবস্থা নেওয়া তো দূর অস্ত, এই পরীক্ষা কবে নেওয়া হবে তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ গুলিকে বলা হয়েছে। বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হান্ডা, শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী পৃথকভাবে এই কথা জানান।
উভয় নেতাই এই বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
কয়েকটি রাজ্যের মামলায় শীর্ষ আদালত কর্মরত শিক্ষক শিক্ষিকাদের ও টেট দিয়ে যোগ্যতা প্রমাণের নির্দেশ দেয়। যা নিয়ে দেশব্যাপী শিক্ষক মহল অসন্তুষ্ট।। তাঁদের বক্তব্য, টেট কার্যকর হওয়ার আগে তাঁরা নিজেদের যোগ্য প্রমাণ করেই কাজে যোগ দিয়েছেন। দীর্ঘ দিন ধরে দক্ষতার সঙ্গে পড়াচ্ছেন। নতুন করে টেট দিয়ে তাঁদের যোগ্যতার প্রমাণ কেন দিতে হবে?
সম্মিলিত প্রতিবাদে, বিভিন্ন মানলার প্রেক্ষিতে ২০২৮ সালের ৩১ আগস্টের মধ্যে এই পরীক্ষার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তামিলনাড়ু সরকার এই টেট দেওয়ার বিরুদ্ধে বিধান সভায় প্রস্তাব নিয়েছে।
শিক্ষক নেতা আনন্দ হান্ডা প্রমুখের আক্ষেপ, নতুন সরকার রাজ্যে এসে এই নিয়ে সদর্থক ভূমিকা নেওয়া তো দূরস্থান, পরীক্ষা নেওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছে, তাঁরা এর তীব্র প্রতিবাদ করছেন।

Be the first to comment