পিয়ালি:
২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল দিকে মোড় নিয়েছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে। এর মধ্যে কোন জটিলতা নেই। কিন্তু বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চৌচির। আজই নির্বাচন কমিশনের কাছে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত তৃণমূল যায় জোড়া ফুল প্রতীক কার হবে তাই নিয়ে। এখনো এর ফয়সালা হয়নি।
এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কংগ্রেস তার পুরনো গরিমা, তার পুরনো সংগঠন ফিরে পেতে মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস শূন্য থেকে দুটি আসন লাভ করেছে। এর পাশাপাশি রাজ্যে কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটিও পশ্চিমবঙ্গের সংগঠনকে আরো মজবুত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।। তারই একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হলো সংগঠন সৃজন অভিযান।
প্রত্যেকটি জেলায় তৃণমূল স্তরে এআইসিসির পাঠানো প্রতিনিধিরা সংগঠন খতিয়ে দেখেন। আর তারই পরিণতিতে জেলা কমিটিতে প্রেসিডেন্ট পদে নতুন নিয়োগ হলো। সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগের নির্দেশে আজ এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপাল পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস জেলা কমিটির প্রেসিডেন্ট পদে নবনিযুক্তদের নামের তালিকা প্রকাশ করেন।


এ আই সি সি কর্তৃক প্রকাশিত 35 জনের নামের তালিকায় উল্লেখযোগ্য হলো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ১) মোঃ মুক্তার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২) তপন মন্ডল, উত্তর ২৪ পরগনা গ্রামীণ (১) ইন্দ্রানী দত্ত চ্যাটার্জি, উত্তর ২৪ পরগনা শহরে অভিজিৎ ভৌমিক দক্ষিণ কলকাতা জেলার সভাপতি হয়েছেন মিতা চক্রবর্তী, একইভাবে উত্তর কলকাতায় সভাপতি হয়েছেন তারক পাল, মালদায় ইশা খান চৌধুরী নদিয়া উত্তরে পার্থ মুখার্জী নদীয়া দক্ষিণে নিত্যগোপাল মন্ডল।
এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মিতা চক্রবর্তী।
প্রদেশ কংগ্রেসের মিডিয়া চেয়ারপারসন মিতা চক্রবর্তী অত্যন্ত সপ্রতিভ ও পরিশ্রমী। দক্ষিণ কলকাতার মত উল্লেখযোগ্য জেলার সভাপতি পদ পেয়ে মিতা রীতিমতো অভিভূত। রোজদিনের তরফে তাঁকে এবং সকল জেলা সভাপতিদের জানানো হলো অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

Be the first to comment