প্রতিবেদন: সরকারটা আগেই গেছে। কাছের মানুষ থেকে পুরনো সহকর্মীরা, বেশির ভাগই মুখ ফিরিয়েছেন, নয়তো আজ বিদ্রোহী। মরার উপর খাঁড়ার ঘা, এবার দলের নাম ও সাধের প্রতীক সেটাও কেড়ে নিল নির্বাচন কমিশন। যাকে বলে একেবারে ঢাকি শুদ্ধু বিসর্জন। সব হারিয়ে আজ অক্সিজেন পেতে সেই কংগ্রেসের দরজাতেই এসে দাঁড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে কংগ্রেসকেই সমর্থন করবে তাঁর ঘোষণা করলেন আজ থেকে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস দলের শীর্ষ নেত্রী। তবে তার আগে সবাই জেনে গিয়েছে, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে প্রার্থীপদ থেকে সরে দাঁড়ান মমতা প্রার্থী সন্চিতা প্রধান দে। ফলে মমতার কাছে আর কোনও বিকল্প ছিল না। শুক্রবার বিকেলে কালীঘাটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বললেন, ‘স্বাভাবিক জোট’-কে তিনি সমর্থন করবেন। তবে কোনও মতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। আর রেজিনগর আসন নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান মমতা। কারণ, সূত্রের খবর, রেজিনগরের প্রার্থীও নাকি বেঁকে বসেছেন। এর পাশাপাশি নাম-প্রতীক হারানো নিয়ে তিনি এদিন চড়া সুরে আক্রমণ করেন নির্বাচন কমিশনকে। গোটা প্রক্রিয়াকে পক্ষপাতদুষ্ট বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

Be the first to comment