প্রতিবেদন: তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও দলীয় প্রতীক ফ্রিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। এই ঘটনায় দেশ জুড়ে নিন্দায় সরব হয়েছে কংগ্রেস-সহ বিজেপি বিরোধীরা। কমিশন উপনির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য বিকল্প নাম ও প্রতীক দিয়েছে তৃণমূলের দুই শিবিরকে। এই নিয়ে দলের তরফে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশন যে অর্ডার পাশ করেছে, তা অবৈধ। এর মধ্যে কোনও কারণ দেখানো হয়নি। তবে অর্ডারে যা যা আছে আমরা তাই করবো। আমরা কমিশনের অর্ডারের বিরুদ্ধে আদালতেও যেতে পারি। তিনি বলেন, এই নির্বাচন কমিশন তো বিজেপির হাতে তামাক খেয়ে এইসব করছে। সারা দেশে বিজেপি তো এ-সবই করছে। তাদের কাজ হল, ভোট চুরি করা, বিরোধী দল ভাঙানো, এর জন্য যত টাকা লাগে খরচ করা। এরপর তিনি বলেন, দল ঘাসের উপর জোড়াফুল এবং অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম ব্যবহার করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, বেইমানেরা ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক পায়নি, নামও পায়নি। নির্বাচনী লড়াইয়ের বাইরে সব জায়গাতেই আমরা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নাম ও ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারব। সাংসদের কথায়, নির্বাচন কমিশন নাম ও প্রতীক নিয়ে যা যা নির্দেশ দিয়েছে, এটা শুধুমাত্র আসন্ন নির্বাচনের জন্য প্রযোজ্য। যতক্ষণ না পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন তাদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাচ্ছে।ঋতব্রত শিবিরকে খোঁচা দিয়ে কল্যাণ বলেন, ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস, কতটা ডেমোক্রেটিক, দেখতে পাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। ওরা তো নন্দীগ্রামের প্রার্থীর জন্য শুভেন্দু অধিকারীর আশীর্বাদ চেয়েছে। ওর লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে নয়, আমাদের বিরুদ্ধে। ওরা খাম প্রতীক পেয়েছে। এতদিন প্রচুর খাম পেত, তাই খাম প্রতীকটা নিয়েছে। প্রচুর খামও দিয়েছে, খামে কী থাকে সবাই জানে।

Be the first to comment