রোজদিন ডেস্ক: নন্দীগ্রাম উপ নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান কে গ্রেফতার গণতন্ত্রের হত্যা বলে কংগ্রেস শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধী তোপ দেগেছেন।।বলেন,এটি কোন কাকতালীয় ব্যাপার না, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনে বিজেপির আস্থা নেই, তারা কখনও ভোট চুরি, কখনও সরকার চুরি, কখনও রাজনৈতিক দল চুরি,যে কোন উপায়ে ক্ষমতায় আসতে চায় বলে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।
উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম উপ নির্বাচনে আজ মমতাপন্থী তৃণমূলের সঞ্চিতা প্রধান দে তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করেন।।এরপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে তাঁরা কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান কে সমর্থন করবেন।
এর কিছুক্ষণের মধ্যে ২০০৭ সালের এক খুনের মামলায় পুলিশ কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতার করলে রাজনৈতিক মহলে ঝড় ওঠে। রাহুল গান্ধী, কে সি বেণুগোপাল প্রমুখ তীব্র কন্ঠে এর প্রতিবাদ করে বিজেপি কে একহাত নেন।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার রাতে অভিযোগ করেন, গ্রেফতারের পর মিলন প্রধানের বিষয়ে কিছু জানা যাচ্ছে না।
আশুতোষ চ্যাটার্জি র নেতৃত্বে কংগ্রেসের এক প্রতিনিধি দল পুর্ব মেদিনীপুরের চন্ডীপুর থানায় এই সব নিয়ে যান। কর্তব্য রত পুলিশ,তাঁদের কোন কথাই শুনতে চায় না, অভিযোগ নিতেও অস্বীকার করে। শুভঙ্কর সরকার বলেন, কংগ্রেস প্রতিনিধি রা সি সি টি ভি দেখতে চাইলেও তা দেখতে দেওয়া হয় নি। পরে বলা হয় সি সি টি ভি কাজ করে না। মিলন প্রধান ছাড়া দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা শুভাশিস ভট্টাচার্য কেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে জানা যায়। কিন্তু এই নিয়েও পুলিশ কিছু বলতে নারাজ।
বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী পৃথকভাবে এই সব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ব্যক্ত করে বলেন,বিজেপি ভয় পেয়েছে। কারণ বিজেপি বিরোধী সব দল কংগ্রেসের সাথে হাত ধরছে। এই জন্য ই বহু পুরানো মামলায় নন্দীগ্রামে তাঁদের প্রার্থী মিলন প্রধান কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অধীর চৌধুরী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রার্থী কয়েদ থাকলেও তাঁরা এই ভোট লড়বেন। হাওয়া কংগ্রেসের দিকে বুঝেই বিজেপি এই সব করছে।

Be the first to comment