Rahul, Priyanka Gandhi, দিনভর অবস্থানের পর রাতে আটক করলো দিল্লি পুলিশ

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সকাল থেকে বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লিতে রাতে আটক করা হোল কংগ্রেস শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধী, সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কে। আজ সকাল থেকে ই বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের নেতৃত্বে ছিলেন গান্ধী পরিবারের দুই সাংসদ। বেলা গড়ালে তাঁদের একবার আটক ও করে দিল্লি পুলিশ। বাসে তোলার পর নেমে যান দুজনেই। পুলিশের ব্যারিকেডের ওপর উঠে ও পড়েন বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী। হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। এরপর নির্বাচন সদন থেকে মাত্র পঞ্চাশ মিটার দূরে আকাশবাণী ভবনে পৌঁছে যান তাঁরা। পিছনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করে নির্বাচন সদনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে ওখানেই অবস্থান বিক্ষোভে বসে যান। দীর্ঘ ক্ষণ ধরেও তাঁদের সরানো যায় নি। পরন্তু বিক্ষোভের আঁচে ফুটতে থাকে গোটা এলাকা। রাত আট টার পর রাহুল, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কে আটক করে বাসে তুলে নেয় দিল্লি পুলিশ।
লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী কে টেনে হিঁচড়ে জোর করে বাসে তোলা হয় বলে কংগ্রেসের অভিযোগ।

এই মর্মে বেশ কিছু ভিডিও ও সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আটক হওয়া রাহুল গান্ধী কে বাসের জানলা য় উঁকি দিতেও দেখা যায়।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আজ সকাল থেকেই উত্তাল ছিল দিল্লি। বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের প্রায় তিনশো সাংসদ সংসদ ভবনের মকরদ্বার থেকে এক যোগে নির্বাচন সদন অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন।। অভিষেক ব্যানার্জি, ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ ব্যানার্জি প্রমুখ মমতাপন্থী সাংসদ, অখিলেশ যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, অমরা রাম, কে সি বেণুগোপাল প্রমুখ বিরোধী সাংসদ রা সেখানে অংশ নেন।
জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা অবধি তাঁদের এই আন্দোলন চলবে বলে রাহুল গান্ধী জানিয়ে দেন। বলেন, তাঁরা জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গেই
দেখা করতে চান৷ দেশের কন্ঠস্বরকে উনি অপমান করেছেন।দিনভর অবস্থানে বসে ছিলেন তাঁরা। রাতে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়।
অন্যদিকে দিল্লি পুলিশের এস পি বিবেক ভগতের বিরুদ্ধে মহিলা সাংবাদিকের শ্লীলতাহানির অভিযোগেও চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। যা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে।
তাঁকে পদোন্নতি করা হয়েছিল। কিন্তু তদন্ত শেষ না হওয়া অবধি তিনি নিজেই তা স্থগিত রাখার অনুরোধ করেছেন বলে সূত্রের খবর।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*