প্রতিবেদন: চোরবাগান থেকে শিক্ষা। আসন্ন কালীপুজো, জগদ্ধাত্রীপুজো, ছটপুজো এবং কার্তিকপুজোকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে কড়া নজরদারির (Kalipuja Security) সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, প্রতিটি জেলার উৎসবের প্রস্তুতি তদারকির জন্য একজন করে মন্ত্রী দায়িত্বে থাকবেন। বড় জেলাগুলির ক্ষেত্রে দু’জন মন্ত্রীও দায়িত্ব পেতে পারেন। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। পরে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো, ছট ও কার্তিক পুজো উপলক্ষে ইতিমধ্যেই জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক হয়েছে। সেখানে মুখ্যসচিব, ডিজিপি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন।
সরকার উত্তর কলকাতা, নৈহাটি, বারাসাত, তমলুক, চন্দননগর, কৃষ্ণনগর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, পশ্চিম বর্ধমান এবং ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল-সহ একাধিক সংবেদনশীল এলাকায় বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে। দু’বছর আগে বেলডাঙার কার্তিক মেলার অশান্তির অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশকেও বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া পশ্চিম বর্ধমানে ছটপুজোর ঘাটগুলিতে অবৈধ বালি তোলার ফলে যে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা রুখতে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো এবং শান্তিপুরের রাস উৎসবকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, পূর্ণিমা চক্রবর্তী এবং ডঃ সৌমিত্র মোহনকে পরিদর্শন করে প্রস্তাব জমা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই দুই উৎসবের পরিকাঠামো ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য বিশেষ আর্থিক বরাদ্দও অনুমোদন করেছে রাজ্য সরকার। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, বাজি ও আতসবাজি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা এবং পরিবেশ দপ্তরের গাইডলাইন নিয়ে বৃহস্পতিবার গাইডলাইন প্রকাশ করবে প্রশাসন।

Be the first to comment