New Teachers দের সক্রিয় রাজনীতিতে মানা, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক: রাজ্যে নতুন নিয়োজিত শিক্ষক রা সক্রিয় রাজনীতি করতে পারবেন না। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। কংগ্রেস, সিপিএম সহ বিরোধী রা এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন অধ্যাপক প্রদীপ ভট্টাচার্য এর তীব্র বিরোধিতা করে বলেন, সরকারের এই একতরফা সিদ্ধান্ত কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এই উদ্যোগ রূপায়িত করতে গেলে সরকার আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
অন্য রাজ্যে শিক্ষক রা প্রত্যক্ষ রাজনীতি করতে পারেন না বলে মুখ্যমন্ত্রী র দাবি ও তিনি সর্বৈব অসত্য বলে জানান।
সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, আগে তো পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ হোক। বিদ্যালয়ে শিক্ষক নেই, অথচ শিক্ষকরা রাজনীতি করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হচ্ছে।
বিদ্যালয়ে পরিকাঠামো র সার্বিক মান উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে সুজন চক্রবর্তী বলেন,শিক্ষকদের দিয়ে এস আই আর, জনগণনা ইত্যাদি অশিক্ষক সুলভ কাজ করানো হয়, সরকার সেদিকে নজর দিক। পড়ুয়া অনুপাতে শিক্ষকের অপ্রতুলতা ইত্যাদি ব্যর্থতা ঢাকতে সরকার এই সব করছে বলে সুজন বাবু মন্তব্য করেন।
শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী, প্রধান শিক্ষকদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক চন্দন মাইতি, বঙ্গীয় শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সমিতির স্বপন মন্ডল প্রমুখ ও সরকারের এই মনোভাবে ক্ষুব্ধ।

শিক্ষক সংগঠনের বিশিষ্ট নেতা কিংকর অধিকারী বলেন,সরকার পোষিত বা সহায়তা প্রাপ্ত স্কুলের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। তাঁর প্রশ্ন, ভবিষ্যতে শিক্ষক, শিক্ষিকারা যাতে কোন প্রশ্ন তুলতে না পারেন, তার জন্যই কি এই ব্যবস্থা? অরাজনৈতিক হয়ে নিজেদের পেশাগত দাবি দাওয়া ও কি রাজনীতি হিসাবে গণ্য হবে?
বিশিষ্ট প্রধান শিক্ষক চন্দন মাইতি র মতে, শিক্ষকদের ভোটে দাঁড়ানোর অধিকার কাড়ার অর্থ , যাঁরা সমাজের মেরুদন্ড, তাঁদের দূরে সরিয়ে রাখা, ছাত্র গড়ার পাশে যদি শিক্ষকরা সমাজ গড়ার জন্য ব্রতী হন,অসুবিধা কোথায়? শিক্ষক দের সরকারি কর্মীর মর্যাদা দেওয়ার ও তিনি দাবি করেন।
শিক্ষক সংগঠনের বিশিষ্ট নেতা স্বপন মন্ডল বলেন,রাজ্যের শিক্ষক, শিক্ষা কর্মীদের সরকারি কর্মীর মর্যাদা না দিয়ে তাঁদের কোন মতে রাজনীতি থেকে সরিয়ে রাখা যায় না।
সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহবায়ক ভাস্কর ঘোষ ও বলেন, শিক্ষিত মানুষ রা রাজনীতিতে যুক্ত না থাকলে রাজনীতির মান আরও কমবে।তিনি ও শিক্ষক দের সরকারি কর্মীর মর্যাদা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
বিভাজিত তৃণমূলের ঋতব্রত শিবিরের নেতা আখরুজ্জামান মুখ্যমন্ত্রী র এই বক্তব্য কে সমর্থন জানিয়ে আরও আগেই তা করা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে মমতাপন্থী তৃণমূল নেতা আলিফা আহমেদ বলেন,শিক্ষক রা রাজনীতিতে অংশ নিলে সমাজ এগোতে পারে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*