দেশের বিমানবন্দরগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকেন যাঁরা, সিআইএসএফের সেই নিরাপত্তাকর্মীদের কাছে নির্দেশিকা এসেছে ডিউটিতে দাঁড়িয়ে হাসা যাবে না। মানে, অল্পস্বল্প হাসি হাসি মুখ পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু মুখে চওড়া হাসি নিয়ে আর যাই হোক দেশের বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সামলানো যায় না। এমনটাই মনে করে কেন্দ্রীয় সরকার। আরও বেশি পেশাদার ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য রীতিমতো বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞরা আসবেন। তাঁরাই শেখাবেন কী করে মুথে স্মিত হাসি বজায় রেখে, কঠোর নজরদারিতে কড়া হাতে বিমানবন্দরকে সুরক্ষিত রাখতে হয়। যাত্রীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহারের চেয়েও বেশি দরকার সজাগ থাকা।
সিআইএসএফের ডিরেক্টর রাজেশ রঞ্জন জানিয়েছেন, যাত্রীদের সঙ্গে অতিরিক্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার করা সঠিক পদ্ধতি নয়। এই কারণেই ৯/১১-র মতো ঘটনা ঘটেছিল।
গত এক দশকে বিমানযাত্রীর সংখ্যা ছয় গুণ বেড়েছে। দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়া, প্রতিযোগিতামূলক ভাড়া এ সব কারণে বিমানযাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়ে চলেছে। ফলে চাপ বাড়ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপরেও। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সরকারের খরচও।

Be the first to comment