আগামী ১৭ অক্টোবর ইমরানকে ফাঁসি দেওয়া হবে বলে শুক্রবার নির্দেশ দিয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আদালতের বিচারক শেখ সাজিদ আহমেদ। চলতি বছর ৯ জানুয়ারিতে কাসুর জেলায় একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে উদ্ধার হয়েছিল জয়নাবের ক্ষতবিক্ষত দেহ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছিল একাধিক বার ধর্ষণ করা হয়েছিল শিশুটিকে। শেষে শ্বাসরোধ করে খুন করে তাকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল আবর্জনার স্তূপে। শিশুটির বাবা-মা সে সময় ‘উমরাহ’ (মুসলিমদের তীর্থযাত্রা) করতে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। আত্মীয়দের কাছেই ছিল শিশুটি। টিউশনে যাওয়ার সময় তাকে অপহরণ করেছিল ইমরান।
ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পড় থেকেই প্রতিবাদের ঝড় বয়ে যায়। রাজনৈতিক নেতা থেকে ক্রিকেটার সরব হন সকলেই। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে বছর চব্বিশের ইমরানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানান, জেরায় ইমরান ধর্ষণ করে খুনের কথা স্বীকার করেছে। জয়নাবের শরীরের নমুনা এবং ইমরানের ডিএনএ পরীক্ষাতেও প্রমাণ মিলেছে। এর আগেও একাধিক খুনের সঙ্গে সে জড়িত ছিল বলে জানায় পুলিশ।
ইমরানকে গ্রেফতার করে ধর্ষণ, খুন-সহ একাধিক মামলায় মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনানো হয়। তা ছাড়া, অন্য একটি অপরাধের কারণে তাকে সাত বছরের সাজা ও ২০ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়।

Be the first to comment