রোজদিন ডেস্ক :
সকাল থেকে এফআইআরের দাবিতে ধর্ণা দিয়ে শেষ অবধি দিল্লি পুলিশ গত ২০ জুলাই যন্তর মন্তরে ছররা গুলি ছোঁড়া নিয়ে কংগ্রেস শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধীর অভিযোগ নথিবদ্ধ (এফআইআর) করলো। ওইদিন ছররা গুলিতে আহত সাহিল লোছাব-কে নিয়ে আজ সকালে পার্লামেন্ট স্ট্রীট থানায় এফ আই আর করতে গেছিলেন রাহুল গান্ধী। থানা তা নিতে অস্বীকার করলে তিনি সাহিল লোছাব সহ অন্যদের নিয়ে থানার সামনে ধর্ণায় বসেন।
সূত্রের খবর গত ১৪ আগস্ট সাহিল ও তাঁর আইনজীবীরা এই বিষয়ে দিল্লি পুলিশে লিখিত অভিযোগ জানান। কিন্তু তাঁদের কোন আই/ও নম্বর বা প্রাপ্তিপত্র দেওয়া হয়নি।।
রাহুল গান্ধী প্রথম থেকেই এই পড়ুয়া সহ অন্যদের ন্যায় বিচারের দাবিতে সরব ছিলেন। সাহিল কে এফআইআর দায়ের করতে দেওয়া হয় নি বলে তাঁর অভিযোগ। বলেন, সাহিল বিচার চায়।
গত ২০ জুলাই যন্তর মন্তরে সিজেপি-র সংসদ ভবন অভিযানের দিন দিল্লি পুলিশ আন্দোলন কারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। পেরেক দেওয়া লাঠি মারে, ছররা গুলিও ছোঁড়ে। সাহিলের সারা শরীর ছররা গুলিতে ক্ষতবিক্ষত হয়। চোখে তিনটি ছররা গুলির দারুণ আঘাত লাগে। তাঁর দৃষ্টি শক্তি ব্যাহত হয়। রাহুল গান্ধী এর বিচারবিভাগীয় তদন্তও এর জন্য দোষী দের শাস্তির দাবিতে সরব হন।
আজ দীর্ঘ ক্ষণ ধর্ণা দিয়ে এফআইআর দায়েরের পর রাহুল গান্ধী বলেন, এবার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে। এই নিষ্ঠুরতার জন্য দায়ী ওপর থেকে নীচ অবধি প্রত্যেকে শাস্তি পাবেন। একে তিনি ন্যায়ের প্রথম ধাপ বলে মনে করেন।
ছররার আঘাতে সাহিল লোছাব এখনও পরিস্কার দেখতে পান না বলে জানান। এইমস-এ তাঁর চোখে অস্ত্রোপচার হয়।
আজ রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ এই ধর্ণায় অধীর চৌধুরী, সুপ্রিয়া শ্রীনেত সহ কংগ্রেসের বহু বিশিষ্ট নেতা নেত্রীরা ছিলেন।
এফ আই আর-এর প্রতিলিপি সাহিল লোছাদ-কে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

Be the first to comment