রোজদিন ডেস্ক : কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমার সোনার বাংলা নিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর ফতোয়ার বিরুদ্ধে এবার তীব্র প্রতিবাদে সরব শান্তিনিকেতনের আবাসিকরা। প্রবীণ আশ্রমিক তথা ঠাকুর পরিবারের সদস্য সুপ্রিয় ঠাকুর প্রশ্ন তোলেন, তাহলে তাঁরাও কি দেশদ্রোহী ??
এই ঘটনাকে রীতিমত হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, রবীন্দ্রনাথের গান সবাই গাইতে পারেন। সবাই গায়ও। তাই বলে তাঁরা দেশদ্রোহী হয়ে গেলেন!! অসমের মুখ্যমন্ত্রী যদি এই ধরনের কথা বলেন, তবে তাঁকে “মুখ্য”, বলা যাবে না, অন্য কিছু বলতে হবে বলে তিনি কটাক্ষ করেন।
বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ সুব্রত সেন মজুমদারও একে হাস্যকর ও লঘু বলে মন্তব্য করেন। কবির এই গানকে পড়শি দেশ জাতীয় সঙ্গীত করায় তাঁরা একে সম্মান করেন। তাই বলে বিশ্ববন্দিত কবির এই গান এই দেশে গাওয়া যাবে না, এমন বিধি নিষেধ নেই। এটি অত্যন্ত ছোট মনের পরিচয়। একজন মুখ্যমন্ত্রীকে অনেক উদার হওয়া উচিত। এতে তাঁরা মর্মাহত বলে জানান।
আশ্রমিক অপর্ণা দাস মহাপাত্র, সুলগ্না মুখার্জি প্রমুখও অসমের মুখ্যমন্ত্রীর এই ফতোয়ায় বিস্মিত, মর্মাহত। রবীন্দ্রনাথের গানের কোন সীমানা বাঁধা আছে, এমন কথা যে কেউ ভাবতে পারেন, এতে অবাক তাঁরা সবাই।
এর প্রতিবাদে আজ বিশ্বভারতীর এসএফআই শাখা পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান। একে তাঁরা মানবতার বিরোধী বলে জানান।

Be the first to comment