রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যে আগামী ১০০ দিনের মধ্যে বিধানসভা পেপারলেস ই-বিধানসভা হচ্ছে। আজ অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু এই কথা জানান৷ চন্ডীগড়ে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশনের (সিপিএ) জোন টু সম্মেলন সেরে ফিরেছেন তিনি। ডিজিটাল যুগের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বিধানসভাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ, আমজনতার কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার জন্য একগুচ্ছ সংস্কার ও পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান। আগামী ১৮ জুন বিধান সভার বাজেট অধিবেশন বসছে। ওই দিন থেকেই বিধানসভার সরাসরি সম্প্রচার দেখতে পাবেন আমজনতাও। এর আগে নির্দিষ্ট কয়েকটি দিন ছাড়া অধিবেশনের সরাসরি সম্প্রচার করা হত না। ক্ষমতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই সিদ্ধান্তর কথা ঘোষণা করেন।
অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু জানান, চন্ডীগড়ের ওই সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গ-সহ আটটি রাজ্যের বিধান সভার অধ্যক্ষরা আমন্ত্রিত ছিলেন। এই ছাড়া দিল্লি, হরিয়ানা, পঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু কাশ্মীর ইত্যাদি রাজ্যের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গঠনের লক্ষ্য, এই যাত্রায় আইন সভাগুলির ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এআই, ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসার, সাইবার নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলায় দেশের সব আইনসভাকে আরও তথ্যভিত্তিক, আধুনিক ও নাগরিক বান্ধব করা নিয়ে সবপক্ষই একমত হয়েছেন।
এই রাজ্যের বিধানসভাকে ডিজিটাল করার লক্ষ্যে যুদ্ধকালীন জরুরি তৎপরতায় কাজ হবে বলে অধ্যক্ষ জানিয়েছেন। শুধু অধিবেশনের সরাসরি সম্প্রচারই না, সাধারণ মানুষ এলাকার বিধায়কদের সরাসরি প্রশ্ন করতে পারবেন। নিজেদের মূল্যবান মতামত, পরামর্শ ও দিতে পারবেন। যা আমজনতার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দৃঢ যোগাযোগ স্থাপন করে দূরত্ব কমাবে বলে তাঁর আশা। এবার বিধানসভায় সিংহভাগ বিধায়কই নতুন। তাঁদের সংসদীয় রীতিনীতি, কার্যপ্রণালী সম্পর্কে অবহিত করার জন্য
বাজেট অধিবেশনের পর দুদিনের প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে বলে অধ্যক্ষ জানিয়েছেন। বলেন, তাঁদের কাছে জনতাই শেষ কথা। বিধান সভার কাজ সবার কাছে স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাঁরা দায়বদ্ধ।

Be the first to comment