‘ভূয়ো ভোটার’ বিতর্কের মধ্যেই ৩ মাসের মধ্যেই সমাধানের কাজ শুরু জানাল কমিশন

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- এপিক বিতর্কে এবার পদক্ষেপ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। আগামীতে একই এপিক নম্বরে দু’জনের এপিক কার্ড আর থাকবে না। তার পরিবর্তে চালু হবে ইউনিক এপিক আইডি। আগামী ৩ মাসের মধ্যেই এই কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরেই একই এপিক নম্বরে একাধিক ভোটার কার্ড থাকার ঘটনায় সরগরম রাজনীতি। বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই তৃণমূলের তরফে কমিটি গঠন করে ভোটার তালিকায় কোথায় একই নম্বরে একাধিক ভোটারের কার্ড রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে নামা হয়। তাতে রাজ্যজুড়ে প্রচুর এমন কার্ডের তথ্য উঠে আসে। যা নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে ইউনিক ভোটার আইডি তৈরির দাবি জানায় তৃণমূল। যদিও আগে কমিশন ব্যাখ্যা করেছিল, একই এপিক নম্বরে একাধিক নাম থাকা মানেই ভুয়ো ভোটার নয়। এপিক নম্বর এক হলেও ভোটকেন্দ্র এবং বিধানসভা কেন্দ্র আলাদা হয়। তারা জানিয়েছিল, এপিক কার্ডে যে কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে সেখানেই ভোট দেওয়া যাবে। অন্য কোথাও না। তবে তৃণমূল এই যুক্তিকে নস্যাৎ করে দেয়। তাঁরা জানায়, কমিশনের ব্যাখ্যা কমিশনেরই নিয়মের বিরোধী।
শেষ পর্যন্ত এদিন নির্বাচন কমিশন জানায়, ‘ডুপ্লিকেট’ এপিক নম্বরের ভোটারদের ইউনিক এপিক নম্বর দেবে কমিশন। ভবিষ্যতে সকল ভোটারের জন্যই ইউনিক এপিক নম্বর পদ্ধতি চালু করা হবে। তাদের ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের সেই দাবিই কার্যত মেনে নিল বলে মনে করা হচ্ছে। কমিশনের ঘোষণার পরই তৃণমূল শিবির মনে করছে এই সিদ্ধান্ত আদতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের আন্দোলনের জয়। তবে কমিশনের ঘোষণার পরও তৃণমূলের তরফে স্ক্রুটিনি চলবে বলে জানা গিয়েছে।

 

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*