রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমনটা ঘোষণা করেছিলেন ঠিক তেমনই এবার দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের নিবেদিত মহাপ্রসাদ পৌঁছে যাবে বাংলার ঘরে ঘরে।। অর্থাৎ বাংলার বিভিন্ন জেলার রেশন দোকানের মাধ্যমে পৌঁছে যাবে সেই মহাপ্রসার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের দিনই ঘোষণা করেছিলেন বাংলার প্রতিটি ঘরে পৌঁছে যাবে জগন্নাথের মহাপ্রসাদ। সেই অনুযায়ী ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের তরফে এই মহাপ্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷ রথযাত্রার আগেই প্রশাসনের এই মহাপ্রসাদ সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
তবে রেশন দোকান থেকে এই প্রসাদ নিতে বায়োমেট্রিক যাচাই করতে হবে না৷ রেশন কার্ড দেখিয়ে খাতায় সই করলেই পাওয়া যাবে প্রসাদ। মঙ্গলবার এমনটাই জানালেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। মঙ্গলবার থেকেই উত্তরবঙ্গে জগন্নাথ মহাপ্রভুর মহাপ্রসাদ বাড়ি বাড়ি পৌঁছনোর কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে৷ এদিন আলিপুরদুয়ার থেকে এই মহাপ্রসাদ বাড়ি বাড়ি পৌঁছনোর কাজ শুরু হয়েছে বলে খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গেছে। তবে দক্ষিণবঙ্গে নির্ধারিত দিন অর্থাৎ ২০ জুন এই মহাপ্রসাদ পৌঁছনোর কাজ শুরু হবে।
এই প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ২০ জুন থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শ্রী জগন্নাথদেবের প্রসাদ বিতরণের কাজ শুরু হবে। তবে সাধারণ রেশনের সামগ্রী তুলতে গেলে বায়োমেট্রিক যাচাই বাধ্যতামূলক, তেমনটা এই মহাপ্রসাদ বিতরণে করা হবে না। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সমস্যার আশঙ্কা করে রাজ্য সরকার এই বিশেষ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গেছে, উল্টোরথের আগেই রাজ্যবাসীর হাতে দীঘার মন্দিরের মহাপ্রসাদ পৌঁছে দিতে চাইছে সরকার।
প্রসঙ্গত গত ৯ জুন দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ৩০০ কেজি খোয়া ক্ষীর নিবেদন করা হয়। সেই সঙ্গে, গজা ও প্যারা মিশ্রিত ঐতিহ্যবাহী মহাপ্রসাদ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। মহকুমাশাসকের তত্ত্বাবধানে এরই মধ্যে এই প্রসাদ জেলার রেশন দোকানগুলিতে পাঠানো শুরু হয়ে গিয়েছে৷

Be the first to comment