রোজদিন ডেস্ক :
বাংলাদেশের (Bangladesh) রঙপুরে দুই সন্তান সহ দম্পতি কে হত্যা করা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। শনিবার রাতে এই হাড়হিম হত্যার ঘটনা সামনে আসে। নিহতরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, তরুণী কন্যা আগামী ও বালক পুত্র আয়ুষ।
কন্যা আগামী স্নাতকোত্তর ছাত্রী ছিল, পুত্র আয়ুষ পড়ত পঞ্চম শ্রেণিতে। দু/ তিন দিন আগেই তাঁদের হত্যা করা হয় বলে পুলিশের অনুমান।
নিহত দের ঘর লণ্ডভণ্ড, মুখে রাসায়নিক দিয়ে পোড়ানোর চেষ্টা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন পুরো পরিবারকে এই নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হোল, তা নিয়ে প্রতিবেশী রা হতবাক। কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত পুলিশ তদন্ত করছে।
সূত্রের খবর, নিহত প্রীতিলতার বোন পূজা জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে দিদির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। ওইদিন ই রাত আড়াই টেয় দিদি তাঁকে ফোন করেছিলেন, তিনি ধরতে পারেন নি। শুক্রবার থেকে দিদির সঙ্গে আর কথা হয়নি তাঁর। শনিবার দিদির ফোন বন্ধ দেখে তিনি রাত নটা নাগাদ ওঁদের বাড়ি গিয়ে দরজা তালাবন্ধ দেখেন। চরম উৎকন্ঠায় তিনি একটি জানলার কাঁচ ভেঙে ভিতরে সব লণ্ডভণ্ড দেখে শিউরে উঠে পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ এসে দরজা খুলে চার জনের মৃতদেহ পায়। লন্ডভন্ড ঘর, জামাকাপড় ছড়ানো। দোতলায় একটি ঘরে খাটের পাশে আয়ুষের দেহ পড়েছিল। তিন তলার সিঁড়ির কাছে মা ও মেয়ের দেহ। গৃহকর্তা গণপতি চক্রবর্তীর দেহ ছিল ছাদে। তাঁদের সকলের গলায় গামছা, কাপড়, দড়ি দিয়ে পেঁচানো ছিল।
হাড়হিম এই হত্যাকান্ডে পুলিশ ও উদ্বিগ্ন। রঙপুর সি আই ডির ডেপুটি পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী জানান, ডাকাতি, না হত্যা, কিসের উদ্দেশ্যে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা হয়েছে। এখন ও পরিস্কার না। কেন ও কারা এই হত্যা করেছে, তা তদন্ত হচ্ছে।

Be the first to comment