রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- দিল্লির বসন্ত কুঞ্জের ‘জয় হিন্দ’ কলোনীতে জল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ, উচ্ছেদ প্রক্রিয়া এবং বাংলাভাষী বাঙালীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, দিল্লি পুলিশ এবং র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স ক্যাম্পে ব্যক্তিগত জলের ট্যাঙ্কার বন্ধ করে দেয়, বৈদ্যুতিক মিটার খুলে ফেলে এবং জোরপূর্বক উচ্ছেদ শুরু করে।

আজ সেই জয় হিন্দ ক্যাম্প পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তৃণমূলের ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল। সেই দলে ছিলেন শ্রী সুখেন্দু শেখর রায়, শ্রীমতী সাগরিকা ঘোষ এবং শ্রী সাকেত গোখলে। তারা বসন্ত কুঞ্জের হাজার হাজার বাঙালি বাসিন্দা যারা উচ্ছেদের হুমকির মুখে, তাদের সাথে দেখা করেছেন।

সাংসদ সাগরিকা ঘোষ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “জয় হিন্দ শিবিরে সকল বাসিন্দাদের কাছেই আধার কার্ড, ভোটার আই কার্ড এবং অন্যান্য পরিচয়পত্র রয়েছে, তবুও বিজেপি সরকার তাদের অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী বলছে। এটি বিজেপির কৌশল। আমরা দেখতে পাচ্ছি যে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন সমস্ত রাজ্যে এই অভিবাসী শ্রমিকদের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং দুঃখজনক। আমরা এটা চলতে দেব না।”

এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে বলা হয়, “বাংলা ও বাংলার মানুষের উপর কোনো অত্যাচার সহ্য করব না আমরা। আজ দিল্লির বসন্তকুঞ্জের জয় হিন্দ কলোনিতে আমাদের প্রতিনিধিদল দেখা করেন এবং সেখানকার নিপীড়িত ও অত্যাচারিত বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। আমরা সর্বদা আমাদের মানুষের সঙ্গে আছি। জয় বাংলা!”
ইতিমধ্যেই ১৬ই জুলাই এই ইস্যুকেই সামনে রেখে প্রতিবাদে পথে নামছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৬ই জুলাই বেলা ১ টায় কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু হয়েছে মিছিলটি শেষ হবে ডোরিনা ক্রসিংয়ে। এই মিছিলে হাওড়া, ভাঙড়, দমদম ও সল্টলেকের তৃণমূলের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা শামিল হবেন বলেই জানালেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। একইদিনে দুপুর দুটো থেকে জেলায় জেলায় প্রতিবাদ কর্মসূচি হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Be the first to comment