প্রতিবেদন: শুরুটা হয়েছিল মাসের প্রথম দিকে। জুলাইয়ের শেষে এসে কিন্তু রীতিমতো আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মারণ ভাইরাস করোনা। যা খবর, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা গুটি গুটি পায়ে এগোচ্ছে। এখনও পর্যন্ত সংখ্যাটা সরকারি ভাবে আট। বেসরকারি ভাবে আর একটু বেশি। এই সংখ্যা উদ্বেগজনক না হলেও কিন্তু সতর্ক না হলে বিপদ আসন্ন বলছেন বিশেষজ্ঞরা। জুলাইয়ের শেষে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় ঘরে ঘরে জ্বরের সঙ্গে সর্দি-কাশি লেগেই রয়েছে। এই আবহেই ফের অশনি সংকেত। শহরের হাসপাতালগুলিতে আসছে করোনা রোগী। প্রাথমিকভাবে ইনফ্লুয়েঞ্জা মনে হলেও অনেকেরই করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, কোভিডের এই হঠাৎ বাড়বাড়ন্তে সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালে সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের বিশেষ ধরনের ‘আপার রেসপিরেটরি বায়োফায়ার টেস্ট’ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রে লুকিয়ে থাকা একাধিক ভাইরাসকে খুব দ্রুত ও সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব। ফলে রোগীকে সঠিক সময়ে উপযুক্ত চিকিৎসা দেওয়া সহজ হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে মূলত শ্বাসকষ্টজনিত উপসর্গই এখনও পর্যন্ত বেশি দেখা যাচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত যেটুকু পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে তাতে এই ভাইরাসের প্রভাব আগের মতো ততটা মারাত্মক নয় বলেই দাবি চিকিৎসকদের।

Be the first to comment