রোজদিন ডেস্ক : একজন মুখ্যমন্ত্রীর এন্যুমারেশন ফর্ম পূরণ করার কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। তিনি চাইলে ফর্ম নাও পূরণ করতে পারেন। তাতে আইনত কোনও সমস্যা নেই। এমন কথাই বলছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিয়ম। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে বিএলও-র ফর্ম দিতে যাওয়া এবং সেই ফর্ম মুখ্যমন্ত্রীর নেওয়া নিয়ে বিতর্কের মাঝে এমন তথ্যই সামনে এল। মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য আগেই জানিয়েছেন, যতক্ষণ না রাজ্যের প্রতিটি মানুষ ফর্ম পূরণ করছেন, ততক্ষণ তিনি এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করবেন না। বুধবার তাঁর বাড়ি সংলগ্ন অফিসে বুথ লেভেল অফিসার ফর্ম দিয়ে যাওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একথা জানিয়ে দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই মন্তব্যের পর জল্পনা শুরু হয়, মুখ্যমন্ত্রী ফর্ম পূরণ না করলে কী হবে? এই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল কমিশনের এই নিয়ম। কমিশনের নিয়ম বলছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন চিহ্নিত ভোটার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও দেশের প্রধানমন্ত্রী, সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং ওজনদার নেতা-মন্ত্রীরা হলেন চিহ্নিত ভোটার। এই চিহ্নিত ভোটারদের এনুমারেশন ফর্ম পূরণের কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। কারণ, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীদের সম্পর্কে আলাদা করে তথ্য রাখা হয়। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত হয়ে যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই গোত্রে পড়ছেন। তিনি এন্যুমারেশন ফর্ম জমা না দিলেও কিছু হবে না। তাঁর নাম তালিকায় নথিভুক্ত হয়ে যাবে। উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। ওই কেন্দ্রের বিধায়কও তিনি। থাকেন ওই কেন্দ্রের অন্তর্গত ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। কমিশনের এই নিয়মের কথা সামনে আসায় আপাতত তাঁর এন্যুমারেশন ফর্ম পূরণ করার জল্পনা ইতি পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে।

Be the first to comment