প্রতিবেদন: নিজেদের পক্ষে আর কোনও নথি বা প্রমাণ দেওয়ার থাকলে আগামী বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল তিনটের মধ্যে তা কমিশনকে (Election Commission) দিতে হবে। তার ভিত্তিতে বুধবার কালীঘাট শিবিরকে শুনানিতে ডাকতে পারে কমিশন। সেখানে সম্পূর্ণ না হলে প্রয়োজনে ১৭ তারিখ বৃহস্পতিবারও শুনানি হতে পারে। শনিনার শুনানির পর কালীঘাট তৃণমূলকে (Kalighat TMC) চিঠি দিয়ে একথা জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।
তৃণমূলের ঘাসফুল প্রতীক কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে কালীঘাট এবং ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে। শনিবার দুই তরফের প্রতিনিধিদের সঙ্গেই দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক হয়। সেখানে দু’তরফের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি তাদের জমা দেওয়া নথিপত্রও খুঁটিয়ে দেখা হয়। তার পরই মমতাকে চিঠি দিয়েছে কমিশন। আগামী বুধবার পর্যন্ত তাঁকে সময় দেওয়া হল। দলের নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতীক বিতর্কে তাঁর আর কিছু বলার আছে কি না, কোনও নথিপত্র জমা দেওয়ার আছে কি না, ওই দিনের মধ্যে তা জানাতে হবে কমিশনকে।
শনিবারের শুনানিতে ঋতব্রত শিবির ১২ সেপ্টেম্বরের একটি ইমেল ও তার সঙ্গে যুক্ত নথিপত্র যেমন, আলিপুর আদালতের ৭ জুলাই, ৩ অগাস্ট এবং ৬ অগাস্টের নির্দেশের কপি, ১২ তারিখ কমিশনের সচিবকে উদ্দেশ করে লেখা চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের চিঠি, এ ছাড়া, ৫ জুনের একটি খবরের ক্লিপিং কমিশনে জমা দিয়েছে। এর ভিত্তিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের কী বক্তব্য তা জানতে চায় কমিশন। ১৬ তারিখ বিকেল তিনটের মধ্যে তা জানাতে হবে কমিশনকে। এদিকে ওই ১৬ তারিখই আসন্ন দুই উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। সবমিলিয়ে প্রতীক বিতর্কে আপাতত বেশ চাপে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা।

Be the first to comment