নাবালক নির্যাতনের অভিযোগে জ্যোর্তিপীঠের শঙ্করাচার্যের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : নাবালক নির্যাতনের অভিযোগে জ্যোর্তিপীঠের শঙ্করাচার্য স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতী ও তাঁর শিষ্য চৈতন্য মুকুদানন্দ গিরি ওরফে দন্ডি স্বামীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে প্রয়াগরাজের পকসো আদালত।
তাঁদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনেন জগতগুরু রামভদ্রাচার্যর শিষ্য আশুতোষ ব্রহ্মচারী মহারাজ। তিনি আদালতের সামনে দুই নাবালককে উপস্থিত করেন। তারা ক্যামেরার সামনে তাদের বয়ানও দেয়।
ইতিমধ্যে পকসো আদালতের বিশেষ বিচারপতি বিনোদ কুমার চৌরাশিয়া প্রয়াগরাজের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত রিপোর্ট খতিয়ে দেখে অভিযুক্ত দুই সাধুর বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দেন। যা নিয়ে রীতিমত চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
এর আগে ১৩ ফেব্রুয়ারি আদালত পুলিশকে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়ে রায় স্থগিত রেখেছিল।
আদালত এই বিষয় নিয়ে বিশদ তদন্তেরও নির্দেশ দেয়।
আদালতের এই নির্দেশ নিয়ে আশুতোষ ব্রহ্মচারী বলেন, তাঁরা বহ জায়গায়, পুলিশের কাছে গেছেন, কেউ তাঁদের কথা শোনেনি, শেষে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। এখন মনে হচ্ছে বিচার ব্যবস্থা জীবিত আছে। এখন তিনি পরিস্কার বলতে চান, নাবালকদের ওপর যৌন নির্যাতন হয়েছে। আশুতোষ ব্রহ্মচারী ক্ষোভ ব্যক্ত করে বলেন, তিনি রাজ্যের উপ মুখ্যমন্ত্রী ও অখিলেশ যাদবকে বারানসির বিদ্যামঠে তাঁর সঙ্গে পদযাত্রায় যোগ দিতে আর্জি জানিয়েছিলেন।
বারানসির বিদ্যামঠে এই ধরনের ঘটনা হয়েছে, তিনি পঞ্চম তলা দেখাতে চান, যেখানে স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দের শিষ মহল আছে। সেখানে তাঁর ঘনিষ্ঠরা থাকেন, তিনি তাঁদের নাম জানেন, শনিবার থেকে তাঁর পদযাত্রা শুরু হচ্ছে।
আদালতে আশুতোষ ব্রহ্মচারী মহারাজ নিজেই সওয়াল করেন। বিচারককে তিনি বলেন, কিভাবে দুই নাবালকের ওপর যৌন অত্যাচার হয়।
বিচারক আদালত কক্ষ খালি করে শুধুমাত্র বাদী ও বিবাদী পক্ষের আইনজীবীদের থাকতে বলেন। দুই নাবালক ক্যামেরার সামনে তাদের বয়ান দেয়।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রয়াগরাজের মাঘ মেলায় স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দকে সঙ্গমে অবগাহনে বাধা দেওয়া হয়, যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক বাধে। প্রশাসনের বারবার বাধাদানের পর তিনি সঙ্গমে অবগাহন না করে বারানসি চলে যান।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*