রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- তেনজিং নোরগের ১১১তম জন্মদিবসে শ্রদ্ধাজ্ঞাপণ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তেমনি বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ারে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী গলায় শোনা গেলো তেনজিং নোরগের কথা। পাশাপাশি মোদি বলেন আজ ‘এভারেস্ট ডে’।
উল্লেখ্য তেনজিং নোরগে শেরপা তাঁর জন্মদিনের দিনই ১৯৫৩ সালের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যাডমন্ড হিলারিকে সঙ্গে নিয়ে এভারেস্ট চূড়ায় পা রেখেছিলেন। আর সেই থেকেই নোরগের জন্মদিনের দিনই ‘এভারেস্ট ডে’ হিসাবেও পালিত হয়।
প্রসঙ্গত, এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, কিংবদন্তি পর্বতারোহী তেনজিং নোরগে শেরপাকে শ্রদ্ধা। যার ১১১ তম জন্মবার্ষিকী বৃহস্পতিবার পালিত হচ্ছে। তার সাহস বিশ্বজুড়ে অভিযাত্রীদের অনুপ্রাণিত করে। এদিন ৭২ তম এভারেস্ট দিবসও পালিত হচ্ছে, তেজজিং নোরগে এবং স্যার এডমন্ড হিলারির ঐতিহাসিক প্রথম সফল এভারেস্ট আরোহণের জন্য শ্রদ্ধাঞ্জলি। বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ স্পর্শকারী দৃঢ় সংকল্পের এই মানুষটিকে স্মরণ করার কথাও বলেছেন তিনি।
১৯৫৩ সালের ইতিহাসে প্রথমবার এভারেস্ট চূড়ায় পা রেখেছিলেন ২জন। তাঁরা হলেন তেনজিং নোরগে ও অ্যাডমন্ড হিলারি। তখনকার দিনে পাহাড়ে ওঠার জন্য এখনকার মতো অত্যাধুনিক ব্যবস্থা ছিল না। তা-ও অসাধ্য কাজকেও সম্পন্ন করেছিলেন তাঁরা। সেই অভিযান মোটেও সহজ ছিল না। প্রথমবার এভারেস্ট জয়ের আগে দুজনেই একাধিকবার ধরে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন। এভারেস্ট জয়ের চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। ব্যর্থ চেষ্টা করে ফিরে আসেন। অবশেষে যখন দুজনে মিলে অসাধ্য সাধন করেন, তখন অবিশ্বাস্য বলে মনে করেছিলেন তাঁরা। চূড়ায় পৌঁছানোর পর মাত্র কিছুক্ষণ সেখানে থাকার সুযোগ পেয়েছিলেন তাঁরা। অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ফুরিয়ে গিয়েছিল। হাজার প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও হার মানেননি। তারপরেই অনুপ্রেরণা হয়ে থেকে বিশ্ববাসীর মননে।
এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী তেনজিং নোরগে ১৯১৪ সালের ২৯ মে নেপালের খুম্বুতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মদিনের দিনই এসেছিল জীবনের সাফল্য। জয় করেছিলেন সর্বপ্রথম এভারেস্ট জয়ীর তকমা। ১৯৮৬ সালের ৯ মে মৃত্যু হয় তেনজিং-র।

Be the first to comment