পুলিশের সামনে সাজানো গল্প বলতে গিয়েই ধরা পড়ে গেলেন হার্ণেক সিং।রক্তাক্ত স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধারের পর হার্ণেক জানান, ডাকাতির পর তাঁর স্ত্রীকে খুন করা হয়। বিশ্বাস না হওয়ায় পুলিশের চাপ বাড়ে। আর তাতেই ভয়ানক সত্যি সামনে আসে।
স্ত্রী গুরমেহর সিংকে গলা কেটে খুন করে হার্ণেকই। জেরার মুখে তার স্বীকারোক্তি, স্ত্রীর আগে নিজের বন্ধু যশকর্ণ সিংকে কুপিয়ে খুন করে সে। তাকে সাহায্য করে স্ত্রী গুরমেহর। গুরগাঁওর বাসিন্দা হার্ণেক বন্ধুর দেহের ২৫ টুকরো করে ব্যাগ বন্দী করে। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়েই টুকরো দেহের বস্তা জঙ্গলে ফেলতে যায়। কাজ শেষ হওয়ার পরই অপরাধ বোধ কাজ করে, ধরা পরে যাওয়ার ভয়ে স্ত্রীর সঙ্গে আত্মঘাতী হতে চায় হার্ণেক। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্ত্রী গুরমেহরকেও গলা কেটে খুন করে সে। তারপর নিজের উপরই এলোপাথাড়ি ছুরি চালাতে থাকে।
অভিযুক্ত হার্ণেক সিংকে তার ফ্ল্যাট থেকেই ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। জেরার মুখে প্রথনে পুলিশকে মিথ্যে বলে হার্ণক। ঘটনার সূত্রপাত টাকা ধার নেওয়াকে কেন্দ্র করে। পুলিশকে দেওয়া বয়ানে হার্ণেক জানায়, বন্ধু যশকর্ণ সিংয়ের থেকে ৪০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিল সে। টাকা শোধ করতে না পারায় বন্ধুত্বের সম্পর্কে চির ধরে। ১৪ অক্টোবর যশকর্ণ নিজের টাকা চাইতে হার্ণকের বাড়িতে যান। গুরগাঁওর ডিএলএফ ফেস টু-এ হার্ণেক সিংয়ের বড়সড় ফ্ল্যাট। সেখানেই বন্ধুকে বেঁধে তাকে কুপিয়ে খুন করে সে। হার্ণেককে সাহায্য করে স্ত্রী গুরমেহের।
দীর্ঘ জেরার পর গুরগাঁও পুলিশের কাছে খুনের কথা স্বীকার করে হার্ণেক সিং। আপাতত ২ দিনের পুলিশি হেফাজতে অভিযুক্ত।

Be the first to comment