রোজদিন ডেস্ক : তাঁকে দল সাসপেন্ড করেছে।নাম না করে গতকাল মুর্শিদাবাদের জনসভায় তাঁর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তবু আগামীকাল বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের সিদ্ধান্তে অনড় হুমায়ুন কবীর।
এই কর্মসূচিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ব্যাহত হওয়ার আশংকায় উচ্চ আদালতে জনস্বার্থ মামলা ও দায়ের হয়, আজ এই নিয়ে কোন হস্তক্ষেপ করলো না উচ্চ আদালত। যা নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে।
বিতর্কিত টিএমসি বিধায়ক হুমায়ুন কবীর পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন, বাবরি মসজিদের শিলান্যাস হবেই। এই মসজিদ নির্মাণে দেশ-বিদেশের সহায়তার ইঙ্গিত ও দিয়েছেন তিনি।
আজ উচ্চ আদালতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা ওঠে। তাঁরা জানিয়ে দেন, এই বিষয়ে আদালত কোন হস্তক্ষেপ করবে না। তবে পুলিশকে আইন শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে।
বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য আজ এই মামলায় সওয়াল করে বলেন, মসজিদ নির্মাণের শিলান্যাস কর্মসূচিতে অশান্তি হতে পারে। আদালত এই বিষয়ে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়কেই ব্যবস্থা নিতে বলেছে।
ইতিমধ্যেই ওখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন আছে বলে জানা যায়। রাজ্যের পক্ষে ও উপযুক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আদালতকে বলা হয়েছে।
উচ্চ আদালতের এই ভূমিকায় খুশি হুমায়ুন কবীর। তাঁর এই কর্মসূচি ন্যায়সঙ্গত বলে আজ ফের দাবি করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংস নিয়ে দেশব্যাপী উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল।
শাসক দলের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের এই কর্মসূচির বিরুদ্ধে তাঁর দল সহ বিভিন্ন মহল সোচ্চার হলে ও তিনি নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরেননি।
এই কর্মসূচি নিয়ে এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Be the first to comment