রোজদিন ডেস্ক : অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হওয়া ৫৭ লক্ষ টাকা ফিরে পেলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। টাকা ফেরত পাওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ আক্ষেপের সুরে বলেন, আমি একজন সাংসদ৷ তাই তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হল। সাধারণ মানুষ এরকম হলে কোথায় যাবেন? ব্যাঙ্কে টাকা রাখলে জালিয়াতরা নিয়ে নিচ্ছে, আর ঘরে রাখলে মোদি, নির্মলা সীতারামনরা নিয়ে যাচ্ছে। কোথায় যাবো আমরা। কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করে কল্যাণ বলেন, সাধারণ মানুষ ভরসা করে ব্যাঙ্কে টাকা রাখে। যদি এই ভরসা চলে যায়, তাহলে সব চলে যাবে। ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং প্রতারণার বড় অস্ত্র হয়ে উঠছে। টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে কল্যাণ বলেন, গত ৮ তারিখ ওই ঘটনা ঘটে। ঘটনা নিয়ে কল্যাণ বলেন, আমি যখন বিধানসভার সদস্য ছিলাম, তখন আমার একটি অ্যাকাউন্ট ছিল কলকাতা হাইকোর্ট মেন ব্রাঞ্চের অধীন একটি সাব ব্রাঞ্চে। ১০-১২ বছর লেনদেন না করায় ওটা ডরম্যান্ট অ্যাকাউন্ট হয়ে যায়। এই সুযোগে অপরাধীরা ভুয়ো কেওয়াইসি করে সেই অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভ করে। অভিযোগ, তাঁর ছবি সুপার ইমপোজ করে, প্যান কার্ড-সহ অন্য নথি নকল করা হয়েছিল। আমি আমার পার্লামেন্ট অ্যাকাউন্ট যে ব্যাঙ্কে রয়েছে, স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়াকে জানাই। ৬ নভেম্বর পর্যন্ত ৫৭ লক্ষ টাকা তুলে নেয়। স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া সেই ৫৭ লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছে। ওরা বলছে ব্যাঙ্কে প্রশাসনিক অংশে বা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ পার্টে কোনও ভুল হয়েছিল। তৃণমূল সাংসদ বলেন, ব্যাঙ্ক প্রতারণা হচ্ছে খুব। আর এই সমস্ত ব্যাঙ্ক অর্থ মন্ত্রকের অধীনে। যদি আর্থিক প্রতারণা নিয়ে ইডি তৈরি করতে পারে, যারা রাজনৈতিক নেতাদের পিছনে সারাদিন ছুটছে, তাহলে কেন একটা সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে না?

Be the first to comment