প্রতীক কেড়ে নেবে, এত সহজ, সুপ্রিম কোর্টে যাবো, ককরোচ পার্টির কর্মসূচিতেও যাবো, একুশের সভায় মমতার গর্জন

Spread the love

প্রতিবেদন: হাইকোর্টের রায়ে আড়াই হাজার লোক নিয়ে সভা করার অনুমতি পেয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল। কিন্তু সকাল থেকে জনতার গর্জন শোনা গেল ক্যাথিড্রাল রোডে। মঞ্চ থেকে একযোগে দিল্লি ও কলকাতার বিজেপিকে নিশানা করলেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে কড়া আক্রমণ করলেন ‘বেইমানদের’। জানিয়ে দিলেন আর ফেরত নেবেন না তাঁদের। সিম্বল নিয়ে মমতা বললেন, আমাদের সিম্বল কেড়ে নেবে, এত সহজ, দরকারে সুপ্রিম কোর্টে যাবো। আমরা মানুষের সিম্বল গ্রহণ করবো। এভাবে সিম্বল কাড়তে পারে না। গায়ের জোরে সব করছে। পারমিশন না দিলে রাস্তায় হাঁটবো। ভাবছে প্রনামি বাক্স ওদের। ভাবছে ওটাও ওদের অধিকার। ইধার উধার পগার পার। তোলাবাজি করতে করতে সিপিএমকে ছড়িয়ে গিয়েছে। বিজেপি আজ রক্ষাকবচ হয়েছে। আমার সিকিউরিটি নেই অভিষেকের সিকিউরিটি নেই। আমরা কেউ ভয় পাচ্ছি না। আপনারা ভয় পাবেন না। আমাদের দলের নেতা, কর্মীদের নামে কয়েকশো কেস দিয়েছে। কোনও কেসে প্রমাণ দিতে পারবে না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এতদিন এফআইআর করেনি। আমি এই পুলিশকে চিনি না। রেড রোড সাতদিন আটকে রেখেছিল যোগা করবে বলে। আর নমাজ পড়তে দেয়নি। আমাদের সভার জন্য ডোরিনা ক্রসিং দেয়নি, মেয়ো রোডে দেয়নি। তাও আদালত যেখানে দিয়েছে সেখানে করেছি। আমাদের সঙ্গে মানুষের সমর্থন আছে। আমরা রাস্তায় নামলে সবাইকে পালাতে হবে। আপনাদের মুখোশ খোলাটাই আমাদের মিশন। আমাকে আটকাবে বলে বাড়ির সামনে পুলিশ ঘুরছিল। এভাবে আটকানো যাবে না। কেউ বাধা দিলে হাঁটব। হাটায় বাধা নেই। কেন থাকবে ১৬৩ ধারা? জেলে যেতে হলে যাবেন। বিজেপির ভাত খাবার থেকে জেলের ভাত খাওয়া ভালো। এরা হিটলারকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে।

তারপর কর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আসল তৃণমূল আমরা। নতুন করে সাইন বোর্ড লাগালে হয় না। আমাদের আজ থেকে পথ চলা শুরু। এই আন্দোলনে যারা থাকবে ভালো। যারা থাকবে না তারা ইডি সিবিআই থেকে বাঁচতে ঘরে বসে থাকুন। যারা গেছে তারা নেতা। কর্মীরা আমাদের সঙ্গে আছেন। এরা গলা দেবে কিন্তু মাথা দেবে না। পুরোনো কর্মীরা ফিরে আসুন। ছাত্র যুবদের নিয়ে আসুন। ওদের সামনে রাখুন। এরপরের প্রোগ্রাম, জেলা থেকে ব্লক, ব্লক থেকে গ্রাম। কলকাতা থেকে দিল্লি এদের মুখোশ খুলেছি, আরও খুলবো। কেউ বেইমানি করলে লড়াই করে দল ছিনিয়ে নেবো। দল আছে থাকবে। আমাদের অস্তিত্ব এখানে ছিলো, আছে, থাকবে। এরপর ছাত্র ছাত্রীদের প্রোগ্রাম হবে। বদলা হবে আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে। এবার জেলায় জেলায় যাব। আর বসে থাকব না।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*