রোজদিন ডেস্ক : মেসিকে ঘিরে নিরাপত্তা আর মাত্রাছাড়া ভিআইপিদের ভিড়। যার জেরে প্রিয় নায়ককে দেখতেই পেল না গ্যালারি। আর তাতেই শনিবার সকালে তেতে উঠল গোটা স্টেডিয়াম। বেগতিক বুঝে মেসিকে বের করে নিয়ে গেলেন আয়োজকরা। আর তারপরই ফুঁসে উঠল যুবভারতী। ভাঙা হল দর্শকাসন, দেদার জলের উড়ে এল মাঠে, ব্যানার ছিড়ে ফেলল উত্তেজিত জনতা। ব্যারিকেড ভেঙে মাঠেও নেমে পড়লেন কিছু দর্শক। সব মিলিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা।

এর আগে এদিন সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ আর্জেন্টিনীয় মহাতারকা পৌঁছে যান কানায় কানায় পূর্ণ যুবভারতীতে। প্রিয় মহাতারকাকে দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি অনেক মেসি ভক্তরা। লুই সুয়ারেজ এবং রডরিগো ডি’পলকে সঙ্গে নিয়ে হাসিমুখে যুবভারতীতে ঢোকেন এলএম টেন। গ্যালারির দিকে তাকিয়ে হাত নাড়েন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস, ক্লাব সভাপতি দেবাশিস দত্ত। এরপর গোটা যুবভারতী প্রদক্ষিণ করেন ফুটবলের রাজপুত্র। দর্শকদের অভিবাদন গ্রহণ করেন হাসিমুখে। মেসির হাতে মোহনবাগানের অমর একাদশের জার্সি তুলে দেন মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস। এরপরই ছিল মেসির সংবর্ধনা। কিন্তু তাল কাটল তখনই। মেসিকে ঘিরে থাকা ভিড়ের কারণে গ্যালারি থেকে ভালো করে দেখা যাচ্ছিল না মেসিকে। এতেই চটে যান দর্শকরা। তারপরই শুরু হল বিশৃঙ্খলা। সূত্রের খবর, মাঠের অবস্থা জানতে পেরে যুবভারতীতে যাওয়ার মাঝপথ থেকে কনভয় নিয়ে ফিরে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিং খানও আর মাঠমুখো হননি। সবমিলিয়ে হাজার হাজার টাকা দিয়ে মেসিকে দেখার ইচ্ছেটা পুরণ না হওয়ায় বিগড়ে গেল মহানগরীর মেজাজটাই।

Be the first to comment