আজ ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস; শুভেচ্ছা জানিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ টুইট মুখ্যমন্ত্রীর

Spread the love

ভারতের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে আমার সকল দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। প্রণাম জানাই আমাদের পূর্বপুরুষ-পূর্বনারীদের – তাঁদের দেশপ্রেম, নির্ভীক আত্মবলিদানই এই দিনটিকে সম্ভব করে তুলেছিল।
মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “আজকের এই দিনে আমি এই মাটিকেও প্রণাম জানাই যে মাটিতে জন্ম হয়েছিল দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ক্ষুদিরাম বসু, প্রফুল্ল চাকী, কানাইলাল দত্ত, বিপিনচন্দ্র পাল, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, মাতঙ্গিনী হাজরা, মাস্টারদা সূর্য সেন, বিনয়-বাদল-দীনেশ, বাঘা যতীন – এর এর মতো সোনার ছেলে-মেয়ের। এই বাংলাই সেদিন বিদেশী শক্তির বিরুদ্ধে, অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছিল। লড়াই আমাদের রক্তে। আজও আমরা অন্যায় দেখলে গর্জে উঠি।”
তিনি এদিন লেখেন, “আরো আমরা প্রণাম জানাই নতমস্তকে বাংলা নবজাগরণের অগ্রদূত রাজা রামমোহন রায়কে, পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে যিনি আমাদের দিয়েছিলেন ‘বর্ণপরিচয়’, শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেবকে যাঁর বিখ্যাত বাণী ছিল ‘যত মত তত পথ’, স্বামী বিবেকানন্দকে যিনি বিশ্বের দরবারে আমাদের মাথা উঁচু করে তুলে ধরেছিলেন, বঙ্কিমচন্দ্রকে যাঁর ‘বন্দে মাতরম’ গানে (যা আজ জাতীয় গান) এই দেশ মুখরিত হয়েছে। আর প্রণাম জানাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে যিনি আমাদের শিখিয়েছেন ‘চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির’, যিনি শুনিয়েছেন ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ যা আমাদের স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছে, যিনি লিখেছেন ‘জনগণমন অধিনায়ক’, যা আজ এই স্বাধীন দেশের জাতীয় সঙ্গীত। আরো যত মনীষী আমাদের নবজাগরণের সময় থেকে বাংলা তথা ভারতকে নতুন করে গড়ে তুলেছিলেন, সকলকে প্রণাম।”
তিনি লেখেন, “আগামীদিনেও, এই পথিকৃৎদের দেখানো পথে প্রত্যেক দেশবাসীর সম্মান রক্ষা করার জন্য আমাদের লড়াই জারি থাকবে। যে সোনার দেশের স্বপ্ন দেখে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা জীবন-মৃত্যুকে পায়ের ভৃত্য করেছিলেন, সেই দেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আমি নিশ্চিত, এই লড়াইয়ে মানুষ আমাদের পাশেই থাকবেন।
জয় হিন্দ! বন্দেমাতরম্! জয় বাংলা!”

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*