রোজদিন ডেস্ক : নির্বাচন কমিশনের তলবে আজ দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। কমিশনের বক্তব্য যে, ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্তিকরণে কারচুপি করার অভিযোগে চার সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করতে হবে। কিন্তু এই নির্দেশ পেয়েও ঐ চার আধিকারিককে সাসপেন্ডে করেনি রাজ্য। এই নিয়ে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরে তলব করা হয়। তলবের নোটিশে বলা হয়েছিল বুধবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে তাঁকে হাজির হওয়ার কথা। সেই নির্দেশ মেনেই দিল্লি যাচ্ছেন তিনি।
১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী, ওই চারআধিকারিককে সাসপেন্ড করে কমিশন তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরেরও নির্দেশ দিয়েছিল। কমিশনের নিশানায় থাকা ওই চার আধিকারিকের মধ্যে দুইজন ইআরও এবং বাকি দুইজন সহকারী ইআরও। এছাড়া একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরও এই তালিকায় রয়েছেন। তাঁরা হলেন, বারুইপুর পূর্ব (১৩৭) বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী, এইআরও তথাগত মণ্ডল, ময়নার ইআরও বিপ্লব সরকার, এইআরও সুদীপ্ত দাস এবং ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদার।
প্রসঙ্গত, প্রথমে নির্বাচন কমিশনের এই আদেশ পাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ওই আধিকারিকদের উপর পদক্ষেপ করতে হলে তাঁর দেহের উপর দিয়ে যেতে হবে। নির্বাচন কমিশনের সেই নির্দেশের পর রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ পন্থও সোমবার কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেন, ওই চার আধিকারিককে সাসপেন্ড ও এফআইআর করা হবে না। তাঁদের মধ্যে দু’জন যথাক্রমে বারুইপুর পূর্বের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদার ও ময়নার এইআরও সুদীপ্ত দাসকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কারণ হিসেবে জানানো হয়েছিল, মনোবল ভেঙে যাবে। যদিও বাকি ৩ জনের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি রাজ্য।

Be the first to comment