রোজদিন ডেস্ক: নদীয়ার নাকাশিপাড়ার বেথুয়াডহরির রেল গেটের কাছে আজ রাতে কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমানের গাড়ি আটকে চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতি। গাড়িতে তাঁর তরুণ পুত্র আবু সুফিয়ান ও ছিলেন। পুলিশ সূত্রে প্রকাশ, দুষ্কৃতি রা তাঁদের রাস্তা আটকে গুলি চালায়। এরপর গাড়ি থামিয়ে তারা আনিসুর রহমান ও আবু সুফিয়ান কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়।
স্থানীয় সূত্রের খবর, তৃণমূল নেতা জেলবন্দি জুব্বার শেখের নির্দেশে এই নৃশংস হামলা হয়। কংগ্রেস নেতা টিপু সুলতান এই অভিযোগ করেন।
পিতা পুত্রর এই নৃশংস খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী তীব্র ক্ষোভ ব্যক্ত করে বলেন, ভয় আউট, ভরসা ইন এর ধ্বনি দিয়ে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে , আজ স্বাধীনতা দিবসে এই জঘন্য হত্যাকান্ড হোল!
এই নৃশংস জোড়া হত্যার জঘন্য ঘটনা মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাধীন ভাবে রাজনীতি করার অধিকার নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলে দিল।। অধীর চৌধুরী এই হত্যার তীব্র তম ভাষায় নিন্দা ও ধিক্কার জানান। তিনি এর সঠিক তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি র দাবি করেন। এই কঠিন সময়ে কংগ্রেস পরিবার নিহত কংগ্রেস নেতার পরিবারের পাশে আছে বলে জানান।
অন্যদিকে স্থানীয় কংগ্রেস নেতা টিপু সুলতান আরও বলেন,জেলে থাকলেও তৃণমূল নেতা জুব্বার শেখ এলাকা দখল করতে দুষ্কৃতি দের দিয়ে এই হত্যা করিয়েছে।প্রশাসন সঠিক ও নিরপেক্ষ ভাবে এর তদন্ত করলেই সব জলের মত পরিস্কার হয়ে যাবে বলে তাঁর দাবি। তাঁরা অপরাধী দের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চান।
কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( গ্রামীণ) সুরজিৎ কুমার দে জানান,তদন্ত চলছে। এখন ই কিছু বলা সম্ভব নয়।
সূত্রের খবর, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে পিতা পুত্রের দেহ উদ্ধার করে। অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। রাত সাড়ে নটা নাগাদ এই ভাবে রাস্তা আটকে কংগ্রেস নেতা কে পুত্র সহ হত্যার ঘটনা য় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি র নির্দেশে জেলার পর্যবেক্ষক পূজা রায়চৌধুরী ইতিমধ্যে কার্যকরী সভাপতি কে নিয়ে ঘটনা স্থলে গেছেন।

Be the first to comment