রোজদিন ডেস্ক :
বর্তমান রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মা মাটি মানুষই লড়াই করছে বলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য আজ মন্তব্য করেন। চলতি মাসে একের পর এক আলু কৃষকের মর্মান্তিক আত্মহত্যা, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, একের পর এক খুন ইত্যাদি প্রসঙ্গ তুলে রাজ্য সরকার ও তৃণমূলকে তুলোধুনো করেন।
গতকাল ও পাটুলিতে এক টিএমসি যুবকের হত্যার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, গত তিন বছরে রাজ্যে যত খুন হয়েছে,তার ৯৫% ই টিএমসির। যত দিন যাবে, এই খুনোখুনি, হানাহানি আরও বাড়বে বলে তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করেন। বলেন, ২০১৬ সাল থেকে বিজেপির ৩০০ জনের বেশি কর্মী খুন হয়েছেন, এখন যাওয়ার সময় তৃণমূলই তাদের নিজেদের লোকজনদের মারছে। এই সব হত্যার তীব্র নিন্দা করে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, বিজেপিই হোক, বা তৃণমূল, সবার চোখের জলেরই রঙ এক। টিএমসি-র হাত থেকে টিএমসি-কে বাঁচাতে এই সরকারের যাওয়া দরকার।
চলতি মাসে রাজ্যে একের পর এক আলু কৃষকের মর্মান্তিক আত্মহত্যা র উল্লেখ করে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এই সরকারের জন্যই এই হাল। নিজেদের দায়বদ্ধতা ঝেড়ে ফেলে সরকার এখন হিমঘর মালিকদের ওপর দায় চাপাচ্ছে। টিএমসি-র হঠকারিতার জন্যই এতগুলো প্রাণ চলে গেল। যে কোন জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রের কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো জরুরি, উচিত কৃষিক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ নয়, নজরদারি রাখা। এখানে তা কিছুই নেই।
ধান উৎপাদনে এই রাজ্য তৃতীয় স্থানে চলে গেছে। এমনকি ধান উৎপাদনে এক সময়ের সেরা বর্ধমানেও তা কমছে।
উত্তরবঙ্গের নদীগুলিতে বেআইনি ভাবে বোল্ডার তোলায় কৃষি জমি জলের তলায় চলে যাচ্ছে।
এই সব কিছু থেকে মানুষ বাঁচতে চান।
ভোটার তালিকায় বিপুল নাম বাদ দেওয়া র প্রশ্নে বলেন, তাঁরা ও এই বিষয়ে চেষ্টা করছেন। রাজ্যে মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডার সহ একাধিক সুবিধা দেওয়া সত্বেও পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁদের এগার হাজারের বেশি মহিলা জিতেছিলেন বলে জানান।
বিজেপি রাজ্য সভাপতির দাবি, তাঁরা বিভাজনের রাজনীতি করেন না।
তাঁদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন মন্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, ওঁর এইসব মন্তব্য র উত্তর দেওয়ার মত প্রতিভা তাঁদের দলে নেই।

Be the first to comment