রোজদিন ডেস্ক : একদা সিপিএমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ ছিলেন তিনি। অল্প বয়েসেই পেয়েছিলেন দলের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও। আবার তিনিই প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিকে দলের সমর্থন নিয়ে প্রতিবাদে সরব হয়ে দল ছেড়েও ছিলেন। সিপিএমের সেই উজ্জ্বল মুখ প্রসেনজিৎ বসু এবার যোগ দিচ্ছেন কংগ্রেসেই। জে এন ইউ-র প্রাক্তনী, ঝকঝকে ব্যক্তিত্বর এই তরুণ নেতা-কে রাজনীতির নয়া ইনিংসে যোগদান করাতে কলকাতা আসছেন দলের আর এক তরুণ কংগ্রেস নেতা কানহাইয়ালাল। যিনি ও বামপন্থীদের হাত ছেড়ে যোগ দিয়েছেন শতাব্দী প্রাচীন কংগ্রেসেই (congress)।
এর আগে রাজ্যের বাম মহলের এক উজ্জ্বল প্রতিবাদী মুখ, ফরোয়ার্ড ব্লকের প্রাক্তন বিধায়ক আলি ইমরান রামজ ( ভিক্টর) ও কংগ্রেসে গেছেন। এবার প্রসেনজিৎ বসুর যোগদান নি:সন্দেহে নতুন মাত্রা যোগ করছে।
একদা কংগ্রেস বিরোধী প্রসেনজিৎ কেন এই দলে যোগ দিচ্ছেন? মূলত রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব, ভূমিকাই তাঁকে আকৃষ্ট করেছে বলে জানা যায়।
বিশেষত দেশের পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য পথে নেমে রাহুলের আন্দোলন, সংবিধান, ধর্মনিরপেক্ষতার পতাকা উড্ডীন রাখা ইত্যাদি তে মুগ্ধ তিনি। এক দশক আগে দল ছাড়লেও অন্য কোন রাজনৈতিক দলে যোগ দেন নি প্রসেনজিৎ বসু। অসহায়, দরিদ্র আমজনতার বিভিন্ন প্রাপ্য দাবি, অধিকার আদায়ে তাঁদের পাশে থেকেছেন। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর কানহাইয়া কুমারের হাত থেকে কংগ্রেসের পতাকা নিয়ে এই সব মানুষদের জন্যই কাজ করতে চান তিনি। আগামী বছর রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা ও আছে তাঁর। এতে আপত্তি নেই রাজ্য কংগ্রেস নেতাদেরও। পরন্ত প্রসেনজিৎ বসুর মত উচ্চ শিক্ষিত, বাগ্মী নেতা রাজ্যের এই পরিস্থিতিতে দলে আসায় খুশি তাঁরা।
সিপিএম ছাড়ার পর তাঁর সঙ্গে আর কথা হয়নি দলের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গে, এই দু:খ তাঁর যাবে না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে আক্ষেপ করেন তিনি।

Be the first to comment