রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যের বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অর্থাভাবে বিদ্যুত সংযোগ ছিন্নর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে৷ বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র, ভবন সারানো তো দূরস্থান, পড়ুয়াদের প্রয়োজনীয় প্রশ্নপত্র, মুল্যায়নের শংসাপত্র, এমনকি বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা ও দুরূহ হয়ে উঠেছে। চলতি অর্থবর্ষ শেষ হতে বেশিদিন বাকি নেই। অথচ এখন অবধি কম্পোজিট গ্রান্ট বাবদ মাত্র ২৫% টাকা মিলেছে বলে বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি জানান। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হাণ্ডা বলেন, গত ২০২৪ -২৫ এর অর্থবর্ষের ৫০%, ও এবারের মাত্র ২৫% মেলায় বিদ্যালয়গুলির দৈনিক কাজকর্ম চালানোই দুষ্কর হয়ে উঠেছে। রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই সরকার খেলা, মেলা, পুজো অনুদান ইত্যাদি বিভিন্ন খাতে দেদার টাকা বিলি করছে, অথচ শিক্ষায় প্রয়োজনীয় টাকা দিতে গড়িমসি করে। এর প্রতিবাদে তাঁরা শিক্ষা সচিব, শিক্ষা কমিশনারকে দাবিপত্র পেশ করেন। গরম পড়ছে, বিদ্যালয়ের নতুন পাখা তো দূরস্থান, বহু জায়গায় বিদ্যুৎ বিল দেওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে আনন্দ হাণ্ডা উদ্বেগ ব্যক্ত করেন। এই সব কিছুই তাঁরা শিক্ষা সচিব, কমিশনারকে জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে আশিস দাস, সুমিতা মুখার্জি, সন্দীপ ঘোষ প্রমুখ সংগঠনের প্রতিনিধি রা ছিলেন।

Be the first to comment