রোজদিন ডেস্ক : জাপানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেন সানায়ে তাকাইচি (Sanae Takaichi)। আজ তিনি সূর্যোদয়ের দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অতি রক্ষণশীল দলের সানায়ে তাকাইচিকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বেছে নিল দেশের সংসদ। গত ৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দেন শিগেরু ইশিবা। আজ নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি ও তাঁর মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাপানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সমাজমাধ্যমে তিনি বলেন, ভারত ও জাপান বিশেষ কৌশলী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কে তাঁরা আরও শক্তিশালী করতে চান। নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করার জন্য তিনি খুবই আগ্রহী। ইন্দো প্যাসিফিক ও তার বাইরেও শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিরতার প্রসারে দুই দেশের গভীর সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি জানান।
মহিলা হলেও জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী পুরুষতান্ত্রিক প্রথার বিরোধী নন। ওই দেশের রাজ পরিবারে শুধু পুরুষরাই উত্তরাধিকারী হতে পারবেন, এই প্রথার তিনি সমর্থক। সমলিঙ্গ বিবাহেরও বিরোধী তিনি।
এল ডি পি দলের ২৩৭ টি ভোট পেয়েছেন তিনি। সংখ্যাগরিষ্ঠতার থেকে ৪টি বেশি। পক্ষান্তরে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ইয়োশিকোকো নোডা পেয়েছেন ১৪৯টি ভোট।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের স্নেহধন্যা হিসাবে পরিচিত সানায়ে তাকাইচি আজ তাঁর মন্ত্রিসভা গঠন করবেন বলে জানা যায়। তিনি ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের ভক্ত বলে জানা গেছে। ১৯৯৩ সালে প্রথম বার জাপানের সংসদে নির্বাচিত হন তিনি। তখনও দল ও সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব সামলেছেন। অর্থনৈতিক ও আভ্যন্তরীণ বিষয়ের মন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু তাঁর কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট দুর্বল বলে মনে করেন রাজনৈতিক মহল।
দেশের মূল্যস্ফীতির নিয়ন্ত্রণ তাঁর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। আর্থিক পরিকাঠামো মজবুত করাও বড় কাজ। মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও তাঁর বৈঠকের সম্ভাবনা আছে বলে জানা গেছে।

Be the first to comment