প্রতীকী ছবি,
স্বামী মারা যাওয়ার পর নিজের শাশুড়িই চক্ষুশূল হয়ে উঠেছিল বৌমার কাছে। কারণে, অকারণে প্রায়ই চলত বচসা। শাশুড়ির গায়ে একাধিকবার হাত তোলার অভিযোগও ওঠে বৌমার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ফের নিজের শাশুড়িকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে বৌমা রিঙ্কু ঘোষের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটা শান্তিপুর থানার ফুলিয়ার। গত ১৪ নভেম্বরের এই ঘটনায় ফুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে দীপঙ্কর ঘোষের সঙ্গে বিয়ে হয় ফুলিয়া চাঁপাতলা পাড়ার রিঙ্কুর। প্রেম করেই বিয়ে। কিন্তু, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই সংসারে শুরু হয় অশান্তি। দীপঙ্করের মা শঙ্করীদেবী জানিয়েছেন, বিয়ের ছ’মাসের মধ্যেই তিনি ও শ্বশুরবাড়ির বাকি লোকেদের বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতনের মামলা করেছিলেন রিঙ্কু। সম্পত্তি ভাগ করে দেওয়ার নামে প্রায়ই তাঁর সঙ্গে ঝামেলা করতেন রিঙ্কু। এমনকি গায়ে হাতও তুলতেন। রিঙ্কুর অত্যাচারে অতীষ্ট হয়ে সারা বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েছিলেন দীপঙ্কর। চলতি বছরেই লিভারের অসুখে মৃত্যু হয় তাঁর। স্বামীর মৃত্যুর পর শাশুড়ি ও শ্বশুরবাড়ির বাকিদের উপর অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেন রিঙ্কু।
অভিযোগ, গত ১৪ তারিখ সামান্য একটি চাদর নিয়ে শঙ্করীদেবীর সঙ্গে বচসা শুরু হয় তাঁর বৌমা রিঙ্কুর। বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে। শাশুড়িকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারতে থাকেন রিঙ্কু। বার বার সম্পত্তি ভাগ করে দিতে বলেন। শঙ্করীদেবী মানা করলে নির্যাতনের মাত্রা দ্বিগুণ বাড়ে। বৃদ্ধার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। তাঁরাই ফুলিয়া থানায় রিঙ্কুর নামে অভিযোগ দায়ের করেন।

Be the first to comment