রোজদিন ডেস্ক :
তারাতলা বিপর্যয়ে ধৃত প্রাক্তন মেয়রের প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক কালীচরণ ব্যানার্জিকে নিয়ে আজ তাঁর হাওড়ার বাড়ি তল্লাশিতে যায় সিট। কার গাফিলতিতে এত জন নিরীহ মানুষের প্রাণ গেল, এতজন আহত হলেন, এর দায় কার? এই প্রশ্নে উত্তাল গোটা রাজ্য। বহু মানুষ এই বিপর্যয়ে প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। মুঙ্গের থেকে পাঁচ ছেলেকে নিয়ে কাজে এসে তিন ছেলেকেই হারিয়ে ভগ্ন হৃদয়ে ফিরেছেন বাবা। এমন হাহাকার নিহতদের সবার পরিবারেই। এখনও আহত অনেকে, কবে কাজে ফিরতে পারবেন অনিশ্চিত।
এই পরিস্থিতিতে ত্রুটিমুক্ত পরিকল্পনা কিভাবে অনুমোদিত হোল তা নিয়ে তদন্ত চলছে। কেন প্রাক্তন মেয়র নিজে এই পরিকল্পনায় স্বাক্ষর করেছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ওই গুদামের পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়েছিল, তবে পরিদর্শনে হয়ত কিছু গাফিলতি ছিল বলে তিনি মনে করেন।
ইতিমধ্যে ফিরহাদ হাকিমের গ্রেফতারের দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁর প্রাক্তন সতীর্থরা।
বিধায়ক কুণাল ঘোষ পরিস্কার তাঁর নাম করে এই দাবি করেছেন। সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি নাম না করে বলেন, শুধু কালীকে ধরলে হবে না, দোয়াত কলম-কেও ধরতে হবে।
পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও বলেছেন, প্রাক্তন মেয়র দায় এড়াতে পারেন না। তাঁকে গ্রেফতার করা যেতেই পারে।
কালীচরণ ব্যানার্জির বাড়ি রাত অবধি দীর্ঘক্ষণ সিটের তল্লাশি চলে।

Be the first to comment