রোজদিন ডেস্ক : দেশের নাগরিক হওয়ার আগেই তিনি ভোটার তালিকায় নাম তুলেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চলছে আইনি লড়াইও। আজ কংগ্রেস শীর্ষ নেত্রী সোনিয়া গান্ধী জানালেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা এই সব অভিযোগ সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভুল, আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার মাত্র।
জনৈক বিকাশ ত্রিপাঠি তাঁর বিরুদ্ধে নাগরিক হওয়ার আগে ভোটার হওয়ার অভিযোগ এনে এফআইআর দায়েরের দাবি তুলেছেন। আজ দিল্লির রাউস এভেনিউ আদালতে বিশেষ বিচারপতি বিশাল গগনের এজলাসে ফের এই মামলার শুনানি হয়। সোনিয়া গান্ধী এই নিয়ে উত্তর দিয়েছেন দেখে বিচারপতি আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি এই মামলার শুনানি তালিকাভুক্ত করেছেন।
গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে আনা বিকাশ ত্রিপাঠির এই অভিযোগ প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট বৈভব চৌরাশিয়া
খারিজ করে দেন। এতে দমে না গিয়ে বিকাশ ত্রিপাঠি গত বছর ৯ ডিসেম্বর ফের মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ, ১৯৮০ সালে সোনিয়া গান্ধীর নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়, ১৯৮২ সালে তা বাদ যায়, ফের ১৯৮৩ সালে আবার তা অন্তর্ভুক্ত হয়।
আদালতকে এক সংক্ষিপ্ত উত্তরে সোনিয়া গান্ধী জানিয়েছেন, কোন প্রামাণ্য নথি ছাড়া প্রচার মাধ্যমের রিপোর্ট, মনগড়া তথ্যের ভিত্তিতে এই কল্পনাপ্রসূত আবেদন আনা হয়েছে। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, ১৯৮২ সালে প্রবল জনমতের চাপে তাঁর নাম বাদ গেছিল, এত বছর পর কিভাবে এই সব প্রসঙ্গ এলো এই নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন সোনিয়া গান্ধী।
সূত্রের খবর, এই ধরনের ব্যক্তিগত অভিযোগ নিয়ে ক্রিমিনাল আদালতে মামলা করা যায় না। নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ পৃথক বিষয়।
আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি কি হয় গান্ধী পরিবার ও তাঁদের অনুগামীরা এখন তার অপেক্ষায়।

Be the first to comment