রোজদিন ডেস্ক : ভোটমুখি রাজ্যে বাজেট নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে।
কুণাল ঘোষ সহ তৃণমূল নেতা সমর্থকরা এই বাজেটকে উচ্ছ্বসিতভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। কুণাল বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকার যে মানুষের পাশে, মানুষের সাথে, এই বাজেট তার প্রতিফলন।
অন্যদিকে বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই বাজেটকে দিশাহীন বলে মন্তব্য করেন। বিজেপি বিধায়ক তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ি পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, এই বাজেটে অর্থ সংস্থানের কোন দিশা নেই।
একই বক্তব্য বিরোধী বামেদেরও। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী কটাক্ষ করে বলেন, টিএমসি গোয়া নির্বাচনে মহিলাদের মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা বলেছিল, এখানে লক্ষ্মীর ভান্ডার-এ চার হাজার দিলেই পারতো। বেকারদের কাজের কথা না বলে যুবসাথী ঘোষণা করেছেন। এমন অনেক কিছু বাজেটে আছে যা রূপায়ণ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এই বাজেটে হতাশা ব্যক্ত করেছেন বিভিন্ন শিক্ষক, শ্রমিক সংগঠনও৷ শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী, বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হাণ্ডা, বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা অশোক দাস প্রমুখ এর সমালোচনা করেন।
শিক্ষক সংগঠনদের অভিযোগ, কম্পোজিট গ্রান্ট এখনও মেলেনি, স্কুলের সার্বিক পরিকাঠামোর উন্নয়নই বা কোথায়!!
শ্রমিক নেতা অশোক দাসও হতাশা ব্যক্ত করে বলেন,বাজেটে কর্মসংস্থান এর কোন দিশা নেই। স্কুলের মিড ডে মিলের কর্মীরাও বঞ্চিত।
বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, লক্ষ্মীর ভান্ডার এর টাকা না বাড়ালে দিদি জানেন ভোট মিলবে না। কংগ্রেস শাসিত রাজ্যে এর থেকে অনেক বেশি ভাতা দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করে তিনি বলেন, মুসলমানদের ভোট পাবেন না বুঝে গেছেন উনি। তাই ইমাম ভাতা নিয়ে কিছু শোনা যায়নি।
সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমও বাজেটকে দিশাহীন বলে মন্তব্য করেন। বলেন, বাজার থেকে বেশি সুদে ঋণ নেওয়া হচ্ছে, সেই টাকা যাচ্ছে কোথায়? কর্মসংস্থান নিয়েও কোন কথা নেই।
আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী এই বাজেটকে দিশাহীন মন্তব্য করে বলেন, এই বাজেট ভাতাতেই সীমাবদ্ধ, নেই কর্মসংস্থানের কোন দিশা। কাজের বিনিময়ে টাকা দেওয়া হোক।
জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর এই বাজেটকে কটাক্ষে বিঁধে বলেন, এই সরকারের বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে, প্রতিশ্রুতি পূরণের সময় হবে না!!

Be the first to comment