রোজদিন ডেস্ক: প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার রাতে এক ভিডিও বার্তায় জানান। গত দু মাসের বেশি ধরে মূলত ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা আন্দোলন ক্রমেই সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া এই আন্দোলন নিয়ে ক্রমেই চাপ বেড়েছে কেন্দ্রর।। কংগ্রেস সহ বিরোধী দল গুলি প্রধানমন্ত্রী নীরব কেন এই প্রশ্নে সুর চড়িয়েছে।
বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্য, এমন কি প্রধানমন্ত্রী র নির্বাচনী কেন্দ্র বারানসি ও পড়ুয়া বিক্ষোভে উত্তাল।
দিল্লিতে আন্দোলন রত পড়ুয়া দের ওপর পুলিশের নির্মম দমন পীড়ন নিন্দিত হয়েছে বিভিন্ন মহলে। আর এস এস ও এতে ক্ষুব্ধ বলে প্রকাশ। ঘরে বাইরে প্রবল চাপের মুখে প্রধানমন্ত্রী এইদিন রাতে সরাসরি মুখ খোলেন৷ বলেন,প্রশ্নপত্র ফাঁসে সরকার আরও কঠোর ব্যবস্থা নেবে। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনার পর তা বিল আকারে সংসদে আনার চেষ্টা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন,প্রশ্ন পত্র ফাঁসে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে দোষী দের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা ও করা হবে। গত আড়াই মাসে এই নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অপরাধীরা জেলে গেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়ুয়া দের যাতে বছর নষ্ট না হয়, সেই লক্ষ্যে সরকার সর্ব শক্তি নিয়োগ করে দ্রুত ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার ও ব্যবস্থা করেছে। ১৯ জুলাই এর ফলাফল ও প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি এইদিন সকালে প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যে ফাস্ট ট্র্যাক আদালত তৈরি র কথা বলেন,
এইদিন রাতেই তা তৈরির সব ব্যবস্থাও জমা পড়েছে। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে তা পেশ হবে।
সম্ভবত প্রধানমন্ত্রী র এই সব আশ্বাস পেয়ে গভীর রাতে সোনম ওয়াংচুক তাঁর দীর্ঘ ২৬
দিনের অনশন ভঙ্গ করেছেন।
শুক্রবার ককরোচ জনতা পার্টি সারা দেশে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। কংগ্রেস, একাধিক বামপন্থী সংগঠন পশ্চিম বঙ্গ সহ নিভিন্ন রাজ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছে।

Be the first to comment