রোজদিন ডেস্ক : কেটে চলেছে বছরের পর বছর। চাষ নেই সিঙ্গুরে, আছে শুধু শরতের কাশ। একসময়ে টাটাদের জন্য অধিগৃহীত সিঙ্গুরের সেই জমির একাংশ (অন্তত ২৫০ একর) এখনও চাষযোগ্য হল না। অথচ, চেষ্টা কম হয়নি। বারবার এই জমিকে চাষযোগ্য করে তোলার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। এবার ফের কৃষক আন্দোলনের ডাক সেই সিঙ্গুরের মাটিতেই। সিঙ্গুরে কৃষক আন্দোলনের ডাক দিল বিজেপি। সেই আন্দোলনেই আজ সিঙ্গুরে নেতৃত্ব দেবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
সব্জির দাম আকাশছোঁয়া, রাজ্যে কৃষকরা ন্যায্য দাম পাচ্ছে না, ফসল ফললেও পকেট ফাঁকা সাধারণ চাষিদের। এই অভিযোগেই ফের পালাবদলের ডাক বিজেপির।
বাম আমলে টাটাদের গাড়ি কারখানার জন্য ওই জমি অধিগৃহীত হয়েছিল। ২০১৬-তে সুপ্রিম কোর্ট অধিগ্রহণ অবৈধ ঘোষণা করে জমি চাষিদের ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। রাজ্যের তৃণমূল সরকার জমিকে চাষযোগ্য করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মাঠে নামে। কিন্তু দিন শেষে সেই শূণ্যের শূন্যতায় শূণ্যস্থান শূণ্য।
চাষিরা জমিও ফিরে পেলেও, তাদের গৃহীত পাঁচ মৌজার প্রায় হাজার একর জমির মধ্যে অন্তত ২৫০ একর জমি এখনও চাষযোগ্য নয়। কোথাও আগাছা গজিয়েছে, কোথাও ঝোপঝাড়। সিংহের ভেড়িতে দেখা মিলেছে কাশবনের।
বৃষ্টি হলেই জমিতে জল দাঁড়িয়ে যায়। এ বারের বর্ষাতেও তাঁরা চাষ করতে পারেননি। তবে, চাষিদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার পরে প্রকল্প এলাকার মধ্যে যে গোপালনগরে সর্ষেবীজ ছড়িয়ে চাষের সূচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, সেই গোপালনগরেও অনেক অংশে হচ্ছেনা চাষ।

Be the first to comment