বারুইপুরে বালিকার বাড়ি মুখ্যমন্ত্রী, নিয়োগপত্র দিলেন গণপিটুনিতে নিহতর ভাইকে

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : 
নির্যাতিতা পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ মুখ্যমন্ত্রী। চারজনের নাম দিয়ে ছিল পরিবার। সবাইকে ধরা হয়েছে। পুরো তদারকি করব। পরিবার রাজী ছিল, সরকার পাশে দাঁড়িয়েছে।

গণপিটুনিতে নিহত নয়, ইন্দ্রজিৎ মন্ডলকে সংঘটিতভাবে খুনই ওরা হয়েছে। এই ঘটনায় সবাইকে ধরা হয়েছে। আজ ২৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হল পরিবারকে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নিহতের দাদাকে ডিজি নিয়োগপত্র দিলেন।

নির্যাতিতার পরিবার বলেন, মেয়েকে তো ফিরে পাবেন না, পুলিশ ফাঁড়ি চান, করে দেওয়া হোল। বালিকার বাবা বলেন, প্রচুর গ্রেফতার হচ্ছে, একটু দেখতে, চাপ আসছে৷
যে নৃশংস ঘটনা হয়েছে, এর নেপথ্যে বেআইনি মদ, মাদকের, গাঁজা ইত্যাদির ঠেক আছে। সারা রাজ্যে এর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে মুখ্যমন্ত্রী ডিজি-কে বলেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ইন্দ্রজিৎ মন্ডলকে ইচ্ছা করে হত্যা করা হয়েছে। যে দলেরই হোক ছাড় পাবে না। সব পদস্থ আধিকারিক এখানে আছেন, অপরাধীদের ধরা হচ্ছে। গণপিটুনিতে নিহতর পরিবারের দায়িত্ব সরকার নিয়েছে।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধে বলেন, এই সরকার নারকীয়, ঘৃণ্য অপরাধ কে ছোট্ট ঘটনা, প্রেম ছিল, অন্তসত্বা ছিল, এই সব বলবে না, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবেই।

বারুইপুরে বালিকার ওপর যা নারকীয় অপরাধ হয়েছে, তা আর হতে দেওয়া হবে বা।
পরিবার যে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল, তাদের সবাইকে ধরা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর তদারকিতে এই অপরাধের সব তদন্ত হবে। অপরাধীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হবে।বারুইপুরে বালিকার ওপর যা নারকীয় অপরাধ হয়েছে, তা আর হতে দেওয়া হবে বা।
পরিবার যে চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল, তাদের সবাইকে ধরা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর তদারকিতে এই অপরাধের সব তদন্ত হবে। অপরাধী দের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে।

এই ঘটনার পর যারা উস্কানি দিয়েছে, গণপিটুনিতে একজন নির্দোষকে হত্যা করা হয়েছে, তাদেরও শাস্তি দেওয়া হবে বলে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁর অভিযোগ, নাম পরিচয় দেখে ইন্দ্রজিৎ মন্ডল কে খুন করা হয়েছে। এর পিছনে যারা ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে তারা আছে৷ র‍্যাডিকাল শক্তিও থাকতে পারে। সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহতর বাবাকে বার্ধক্য ভাতা, মাকে অন্নপূর্ণা যোজনা দেওয়া হবে।
তবে কোন নিরপরাধকে ধরা হবে না বলে তিনি আশ্বাস দেন৷
এই ঘটনার পর ধর পাকড়ের জেরে এলাকার বহু দোকান পাট বন্ধ আছে। এই বিষয়ে পুলিশ মাইকিং করবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কথা বলেন৷

আজ সূর্যপুর ফাঁড়ির উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী, আধিকারিক থাকবেন।
বালিকার বাড়ি যান মুখ্যমন্ত্রী, তার বাবার সঙ্গে কথা বলেন। পরে নিহত ইন্দ্রজিৎ মন্ডলের বাড়ি যান৷
বারুইপুরের এসপি কার্যালয়ে তিনি বৈঠক করবেন বলে জানা যায়।
কামদুনি প্রসঙ্গে বলেন, ওখানে পরিবার শীর্ষ আদালতে গেছে, এতদিন (পুর্বতন) রাজ্য সরকার এর বিরোধিতা করেছে। এখন তা করবে না বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*