রোজদিন ডেস্ক : “ভোটার অধিকার যাত্রা”- র আজ দ্বিতীয় দিন। প্রথম দিনের আন্দোলনেই যেন ঝড় বইয়ে দিলেন রাহুল। মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা, ‘বিহারের মানুষের ভোট চুরি করতে দেব না।’ চারদিক থেকে উঠে এল হাততালির ঝড়, উল্লাসে মুখরিত হল সমাবেশ। রাহুলের কণ্ঠে ছিল ক্ষোভ, অভিযোগ আর প্রতিজ্ঞা—’এসআইআর-এর নামে আসল ভোটারদের নাম কেটে নতুন ভোটারদের নাম ঢোকানো হচ্ছে। এভাবে নির্বাচনে জেতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিহারের মানুষ সেই ষড়যন্ত্র ভেস্তে দেবেন।’
গতকাল এই যাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনার মঞ্চে শুধু রাহুল একা নন, পাশে ছিলেন আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ যাদব, তাঁর পুত্র তেজস্বী যাদব, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে ও বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র আরও অনেক নেতানেত্রী। লালুর গলাতেও সেই একই বার্তা—’ভোট চুরি করা বিজেপিকে আর ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না। সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’ তেজস্বীর সুর ছিল আরও চড়া। তিনি বলেন, ‘যা বিজেপি নিজেরা করতে পারছে না, তাই করাচ্ছে কমিশনকে দিয়ে। বিহারের মানুষকে তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, গরম হাওয়ার মতো ছড়িয়ে পড়ছে একটাই স্লোগান—’ভোট চুরি হতে দেব না।’ সেই স্লোগানকে সামনে রেখেই সাসারামের মাটিতে গতকাল এই পদযাত্রার সূচনা করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নাম দিলেন এই কর্মসূচির—‘ভোটার অধিকার যাত্রা’।
উল্লেখ্য ১৬ দিনের এই যাত্রায় রাহুল ঘুরবেন বিহারের ২০টিরও বেশি জেলা। গয়া, মুঙ্গের, ভাগলপুর, কাটিহার, পূর্ণিয়া থেকে মধুবনী, দ্বারভাঙা ও পশ্চিম চম্পারণ—সবখানেই পৌঁছে যাবে এই পদযাত্রা। পথ অতিক্রম হবে প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার। প্রতিটি স্টপেজে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর দাবি, ‘এটি কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার লড়াই।’

Be the first to comment