প্রতিবেদন: বারুইপুর নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন এবং আসন্ন একুশে জুলাইকে সামনে রেখে আগামীকাল ৮ জুলাই বুধবার শহরে তৃণমূলের মিছিল। মিছিলে অংশ নেবেন দলের ছাত্র, যুব ও সোশ্যাল মিডিয়া সেলের কর্মীদের। থাকতে পারেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কিন্তু প্রথমে এই মিছিলের অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তারপর আদালতের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। আদালত একাধিক শর্তে মিছিল করার অনুমতি দিয়েছে। তারপরই মিছিলকে সফল করতে দলের অন্দরে শুরু হয় তৎপরতা। মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে নেত্রীর বাসভবনে এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বৈঠকে ডাকা হয় ছাত্র-যুবদের। সেখানেই তৈরি করা হয় মিছিলের চূড়ান্ত রূপরেখা। বৈঠকে ঠিক হয়েছে আদালতের শর্ত মেনে বুধবার বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত এই মিছুল হবে। কোন রুট দিয়ে মিছিল যাবে তাও বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের কড়া নির্দেশ, রাস্তার একটি লেন পুরো খোলা রাখতে হবে। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান, দুপুর ২.৩০ থেকে বিকেল ৪.৩০ পর্যন্ত ওই মিছিল হবে। মিছিলে ১,০০০ জনের বেশি কর্মী, সমর্থক থাকতে পারবে না।
গত ২ মাসে একাধিক ইস্যুতে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে পথে নামতে চেয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু অনুমতি দেয়নি পুলিশ। এবার তাই অনুমতি না পেয়ে মিছিল করতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। সেখানেই তৃণমূলের আবেদনে সাড়া দিয়ে মিছিলের অনুমতি দিল হাইকোর্ট। মঙ্গলবার হাইকোর্টে তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী ও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে বারুইপুর ধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে সোমবার কালীঘাটে নিজের বাসভবনের সামনে মোমবাতি নিয়ে প্রতিবাদ-মিছিল করেন তৃণমূলনেত্রী।

Be the first to comment