রোজদিন ডেস্ক : অগ্নিগর্ভ ত্রিপুরা। জ্বালিয়ে দেওয়া হল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দোকান, বাড়ি, ধর্মস্থান। উনাকোটি জেলার এই ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। অভিযোগের আঙুল কট্টর এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দিকে। এই ঘটনায় পুলিশকর্মী সহ দশ জন আহত হয়েছেন। গ্রেফতার হয়েছেন দশ জন।
সূত্রের খবর, একটি মন্দিরের জন্য চাঁদা চাওয়া নিয়ে গোলমালের শুরু। হিন্দুত্ববাদীদের কয়েকজন শনিবার সকালে সংখ্যালঘু দোকান মালিকের কাছে মন্দিরের জন্য টাকা চাইতে যান। তিনি জানান, এর জন্য আগেই টাকা দিয়েছেন, বাকি টাকাও কিছুদিনের মধ্যে দেবেন। কিন্তু তারা শোনেনি, তখনই টাকার দাবি করে বলে দোকান মালিক আলি জানান।এরপর তারা তাঁকে প্রচণ্ড মারধর করে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।।আক্রমণকারীরা তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। পুলিশ ওখানে থাকলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। আর এক বাসিন্দা মৌলানা আবদুল মালিক জানান, শুধু মারধর করেই তারা ক্ষান্ত হয় নি, ৫/৬ টি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়, দোকান, মসজিদে ও ভাঙচূর, আগুন লাগানোর ঘটনা হয়।। পুলিশের সামনেই গাড়ি, বাইক, কবরস্থান ইত্যাদি এলাকায় হামলা চলে।
কংগ্রেস নেতা বিরাজিত সিনহাকে ঘটনাস্থলে যেতে বাধা দেওয়া হয়। রবিবার তাঁরা সাইদারপুর গ্রামে হিংসা কবলিত এলাকায় যেতে চাইলে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে যেতে দেওয়া হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। ত্রিপুরার বিরোধী নেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী এর জন্য বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে দায়ী করেন। বলেন, যখন কুমারঘাট জ্বলছে, মুখ্যমন্ত্রী তখন উত্তর ত্রিপুরার কাঞ্চনপুরে রোড শো করতে ব্যস্ত। রাজ্য সরকার সংখ্যালঘুদের জীবন সম্পত্তি রক্ষায় ব্যর্থ বলে তিনি অভিযোগ করেন। এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ও নজরদারি চলছে বলে পুলিশের দাবি।
পরিস্থিতি থমথমে।

Be the first to comment