রোজদিন ডেস্ক : স্বপ্ন পূরণ হল না মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের, এবারের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন ভেনিজুয়েলার মারিয়া করিনা মাছাদো! ওই দেশের প্রধান বিরোধী নেত্রী মারিয়া এখনও অন্তরালেই আছেন। ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার দাবিতে অবিরল লড়াই করা মারিয়াকে “লৌহ মানবী “, বলা হয়।
চলতি বছর টাইম পত্রিকায় বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালীর তালিকায় তাঁর নাম আছে।
গত বছর ভেনিজুয়েলায় নির্বাচনের পর থেকেই গোপনবাসে আছেন তিনি।
ওই নির্বাচনে বর্তমান রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে ব্যাপক রিগিং এর অভিযোগ ওঠে।
তিনি সাতটি যুদ্ধ থামিয়েছেন দাবি করে এবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই বিষয়ে পাশে পেয়েছিলেন পাকিস্তানকে। ফ্রান্সও তাঁকে সমর্থন জানিয়েছিল। দীর্ঘ দু-বছর ধরে চলা ইস্রায়েল – প্যালেস্টাইনের সাম্প্রতিক যুদ্ধ বিরতিতে ও ট্রাম্পের ভূমিকা প্রশংসনীয় হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গতকাল তাঁকে ফোন করে অভিনন্দন ও জানান। সমাজ মাধ্যমে হোয়াইট হাউস তাঁকে ” শান্তির রাষ্ট্রপতি ” বলে প্রচার ও করে। এবারের নোবেল শান্তি পুরস্কার তাঁকেই দেওয়া উচিত বলে নিজে সওয়াল ও করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর সব আশায় জল ঢেলে ভেনেজুয়েলারর বিরোধী নেত্রী মারিয়া করিনা মাছাদো তা পাওয়ায় হতাশ ট্রাম্প ও তাঁর অনুগামীরা।
সমাজতান্ত্রিক ভেনেজুয়েলা ও তার রাষ্ট্র পতির বিরুদ্ধে ট্রাম্পও নানা অভিযোগ এনেছেন, কূটনৈতিক সম্পর্কও ছিন্ন করেছেন।
অন্যদিকে নোবেল শান্তি পুরস্কার এর জন্য মারিয়া করিনা মাছাদোর নাম ঘোষণা করে নোবেল কমিটি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য মারিয়ার অক্লান্ত অবদানের স্বীকৃতি এই পুরস্কার। ওই দেশে একনায়কতন্ত্র থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য তিনি অবিরাম লড়াই করছেন।
কমিটি তাঁকে শান্তির লক্ষ্যে এক সাহসী যোদ্ধা হিসেবে বর্ননা করে কুর্নিশ জানিয়েছেন। যিনি ক্রমবর্ধমান অন্ধকারে গণতন্ত্রে র আলোকবর্তিকাটি তুলে রেখেছেন।
মানবাধিকার এই সাহসিনীকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে সম্মানিত করায় খুশি বিভিন্ন দেশও।

Be the first to comment