রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:– সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই ৩১ মে-র মধ্যে এসএসসির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করতে চলছে রাজ্য সরকার। ১৬ জুন থেকে অনলাইনে আবেদন জমা নেওয়া হবে। ১৪ জুলাই পর্যন্ত আবেদন জমা নেওয়া হবে। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া শেষ হবে। এবং ২০ নভেম্বর থেকে কাউন্সেলিংয়ের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

মঙ্গলবার, নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বার বারই তিনি জানান, আদালতে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছে রাজ্য। এখন সুপ্রিম কোর্টে গরমের ছুটি চলছে। জুনে কোর্ট খুললে রিভিউ পিটিশনের শুনানি হবে। তাতে যদি, চাকরিহারাদের নতুন করে পরীক্ষা না দেওয়ার কোনও নয়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট দেয়, তা হলে আর এই নোটিফিকেশন কার্যকর হবে না।
মমতা বলেন, আমরা যারাই সরকার চালাই, আমাদের প্রত্যেককে আইন মেনে চলতে হয়। সংবিধান মেনে চলতে হয়। আইনের বাইরে গিয়ে আমরা যদি নিজেদের মতো করি, সেটা অন্যভাবে কোর্ট নিতে পারে। আমরা ইতিমধ্যে রিভিউ পিটিশন করেছি। সুপ্রিম কোর্টে গরমের ছুটি চলছে। আমরা সঠিক সময়ে রিভিউ পিটিশন করেছি। আগের অর্ডার যদি আমরা বহন না করি তাহলে যদি ওরা বলে তোমরা অর্ডার মানোনি, সব বাতিল। এটা আমরা চাই না। আমরা সুপ্রিম নির্দেশ অনুযায়ী চলব। আমরা হাতে টাইম নিয়ে করেছি। নতুন পরীক্ষার জন্য ৩১ মে-র মধ্যে নোটিফিকেশন বের করতে বলা হয়েছে। তবে আমরা অপেক্ষা করছিলাম রিভিউ পিটিশনের শুনানির। যেহেতু রিভিউ হয়নি। রিভিউ পিটিশনের শুনানি হলে সেই অনুযায়ী যাব। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই চাকরিহারারা চাকরি ফিরে পাক। রাজ্য সরকারকে সকলের স্বার্থ দেখতে হয়।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘শীর্ষ আদালত আগের নির্দেশে বলেছে। দু’টো ভাগ রয়েছে। শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী। আমাদের করার ইচ্ছা ছিল, চাকরিহারাররা সকলে চাকরি ফিরে পাক।’ তিনি বলেন, ‘বিষয়টি সংবেদনশীল। সংবাদমাধ্যমকে অনুরোধ, আমাদের বক্তব্য ভুলভাবে দেখাবেন না।’ মমতা বলেন, ‘যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে চান, পারবেন ১৬ জুন পর্যন্ত।’ মমতা জানান, কাউন্সেলিং হবে ২০ নভেম্বর। যদি রিভিউ না হয়। মমতা বলেন, ‘আমরা বলছি না, কোর্ট বলছে। লিখিত পরীক্ষা, ইন্টারভিউ সব প্রক্রিয়া করে নেব, রিভিউতে বিচার না পেলে ২৪,২০৩ পদ শূন্য। হাইকোর্টের নির্দেশে ওই পদের জন্য নিয়োগ হবে। অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করা হয়েছে। ১১,৫১৭ অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি হয়েছে নবম-দশমের জন্য। একাদশ-দ্বাদশের জন্য ৬,৯১২ অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করা হচ্ছে। গ্রুপ-সির জন্য অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি হচ্ছে। ৫৭১টি পদ। গ্রুপ ডি’র জন্য অতিরিক্ত হাজার করা হচ্ছে। মোট শূন্যপদ ৪৪ হাজার ২০৩। নবম-দশম চাকরিহারাদেন নিয়ে ২৩,২১২। একাদশ-দ্বাদশ ১২,৫১৪, গ্রুপ সি ২৯৮৯, গ্রুপ ডি ৫,৪৮৮।’

Be the first to comment