রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:-ধর্মতলায় একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় নিহত বিতান অধিকারীর বাবা-মা। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে মঞ্চে ওঠেন তাঁরা। উপস্থিত ছিলেন উধমপুরে গুলির লড়াইয়ে শহিদ জওয়ান ঝন্টু আলি শেখের বাবাও। দুই স্বজনহারা পরিবারের হাতে ১ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য তুলে দেন মমতা। তৃণমূল সুপ্রিমো জানান, প্রত্যেক তৃণমূল কর্মী ১ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দিয়ে ফান্ড তৈরি করেছেন। সেই ফান্ড থেকেই দুই পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করা হয়েছে।
এদিন মঞ্চে দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, ‘আমি সম্মান জানাই সমস্ত শহিদের পরিবারকে। ঝন্টু আলি শেখের বাবা সবুজ আলি শেখ এসেছেন। বিতান অধিকারীর বাবা বীরেশ্বর অধিকারী ও মা মায়া অধিকারী এসেছেন। তাঁদের সম্মান জানাই।’ মঞ্চে তাঁদের সকলকে উত্তরীয় পরিয়ে সম্মানও জানান মমতা।
প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন পর্যটক। সেই তালিকায় ছিলেন বাংলার তিন পর্যটক। বিদেশে কর্মরত পাটুলির বাসিন্দা বিতান অধিকারীকেও খুন করেছিল জঙ্গিরা। সেই বিতানের বাবা-মা এদিন উপস্থিত হয়েছিলেন একুশের মঞ্চে। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের হাত ধরে মঞ্চে নিয়ে গিয়ে বসান। বিতান অধিকারীর পরিবারকে এককালীন ১০ লক্ষ টাকা সাহায্যের কথা পহেলগাঁও হামলার পরপরই নবান্নে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে বিতানের বাবা-মাকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে পেনশন দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছিলেন। এরপর এদিন তৃণমূল কর্মীদের তরফেও ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করা হয়।
অন্যদিকে, পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর উধমপুরে তল্লাশি চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে শহিদ হয়েছিলেন জওয়ান ঝন্টু আলি শেখ। তেহট্টের পাথরঘাটার বাসিন্দা ওই শহিদ জওয়ানের বাবাও এদিন মঞ্চে হাজির ছিলেন। তাঁকেও এদিন আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয় তৃণমূলের তরফে।

Be the first to comment