রোজদিন ডেস্ক : আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে রাজ্যের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে ক্রীড়া অনুষ্ঠান শুরু হবে। চলবে ২ জানুয়ারি অবধি।
এসআইআরের কাজের পর বেশির ভাগ শিক্ষক-শিক্ষিকাই শারীরিক, মানসিকভাবে ক্লান্ত থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এর ওপর বছর শেষে পড়ুয়াদের মুল্যায়ন-সহ নানা কাজ আছে। এই সব প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের ক্রীড়ানুষ্ঠান করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হাণ্ডা। বলেন, প্রতিবার বছরের শুরুতে এই ক্রীড়ানুষ্ঠান হয়, এসআইআরের কঠিন কাজের পরিশ্রমের পর ফের বিদ্যালয়ের ক্রীড়ানুষ্ঠানে তাঁদের ওপর খুবই চাপ পড়বে। এই সঙ্গে এই ক্রীড়া অনুষ্ঠানের খরচ আগেই দেওয়ার দাবি তুলেছেন তিনি। আনন্দ হাণ্ডা-র বক্তব্য, রাজ্য সরকার পুজোর অনুদান আগেই ক্লাবগুলিকে দেয়, অথচ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া অনুষ্ঠানের টাকা আগে দেয় না। এর দায় শিক্ষকদেরই নিতে হয়।
ক্রীড়া অনুষ্ঠানের বরাদ্দ অর্থ আগেই দেওয়ার জন্য আর্জি জানিয়ে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সভাপতিকে চিঠি দিয়েছেন বলে জানান।

Be the first to comment