রোজদিন ডেস্ক : “ভোট চোর, গদ্দি ছোড়” হাজারো কন্ঠের এই গর্জনে আজ রীতিমত সরগরম হল শীতের দিল্লি। রামলীলা ময়দানের সমাবেশ থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, কে সি বেনুগোপাল সহ বিশিষ্ট নেতারা এই ধ্বনিতে সরব হন।এসেছিলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও।
এই সমাবশে কেন্দ্রীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে ও সরব হন নেতারা। কেন্দ্রের সুবিধা করে দিতে ই তিনি কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
বিজেপিকে বিশ্বাসঘাতক, নাটকবাজ ইত্যাদি বাছাই করা বিশেষণে তোপ দেগে জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, ভোটাধিকার ও সংবিধান রক্ষায় এই সরকারের অপসারণ প্রয়োজন।
দেশকে রক্ষা করতে কংগ্রেসকে শক্তিশালী করতে সব ভারতবাসীকে আহবান জানান তিনি।

কংগ্রেস শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, মোদি – আর এস এস সরকারকে হঠাতে তাঁরা সত্য, অহিংসার পথে লড়াই করবেন।
বিভিন্ন রাজ্যে ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি, এই অভিযোগে সারা দেশে শোরগোল তুলেছেন তিনি। আজও কেন্দ্রীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সহ তিন নির্বাচন কমিশনারই বিজেপির হয়ে কাজ করছেন বলে তোপ দাগেন।
দৃপ্ত কন্ঠে বলেন,” আমরা সত্যের পথে আছি, মোদি – আরএসএস সরকার কে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করবো। ওদের “সত্তা” (ক্ষমতা) আছে, ওরা ভোট চুরি করে।”
(বিহার) নির্বাচনের সময় বিজেপি ১০ হাজার টাকা করে দিলে ও নির্বাচন কমিশন কোন ব্যবস্থাই নেয় নি। বিজেপি সরকারের সঙ্গেই ওরা কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনকে রক্ষা করতে নতুন আইন এনেছেন, তাঁরা তা পরিবর্তন করে কমিশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, ভোট চুরি নিয়ে ওঁদের জবাব দিতে হবে।

বিজেপি ওঁদের রক্ষা করতে পারবে না। একদিন না একদিন জনতার ভোট ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁদের জবাব দিতে হবে বলে ও মন্তব্য করেন তিনি।
ব্যালট পত্রে ভোট করার জন্য বিজেপি কে চ্যালেঞ্জ করেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। বলেন, বিহারে জয় আসেনি দেখে দুঃখ করার কিছু নেই, সারা দেশ জানে ওখানে ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছে ওরা। তিনি ও বিহার নির্বাচনের সময় ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হলেও নির্বাচন কমিশন চোখ বন্ধ করে ছিল বলে মন্তব্য করেন।
বিশাল এই সমাবেশে হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু, সচিন পাইলট সহ বহু নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ এক সুরে প্রধানমন্ত্রী, বিজেপি, নির্বাচন কমিশনের তীব্র সমালোচনা করেন।
সমাবেশে ধ্বনি ওঠে, খুব শীঘ্রই মোদির শেষের দিন আগত, আজ না হয় কাল তা হবেই।

Be the first to comment