রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যে মিড-ডে-মিলে পড়ুয়াদের পুষ্টির জন্য দুধ নয় কেন? এই প্রশ্ন তুলেছেন বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হাণ্ডা বলেন, কর্ণাটকে সপ্তাহে তিন দিন শিশুদের দুধ দেওয়া হয়, অথচ এখানে ভোটের আগে মিড-ডে-মিলের জন্য পড়ে থাকা অতিরিক্ত অর্থ মাত্র ১২ দিনের জন্য ডিম, মরসুমি ফলের জন্য বরাদ্দ করা হল।
এই ছাড়া মিড-ডে-মিলের কর্মী, যাঁরা রান্না করেন, তাঁদের সাম্মানিকও বৃদ্ধি করা হয় না বলে আনন্দ হাণ্ডা ক্ষোভ ব্যক্ত করেন। আরও বলেন, রাজ্য বাজেটে মিড-ডে-মিলে ১.১১ কোটি পড়ুয়ার কথা বলা হলেও এখন ৮১ লক্ষ পড়ুয়াকে বাড়তি ডিম দেওয়ার কথা কেন বলা হল? বাকি ৩০ লক্ষ পড়ুয়া তবে কোথায়? মিড-ডে-মিলের বরাদ্দ অর্থ পড়ুয়াদের জন্য ব্যয় করার জন্য তিনি দাবি করেন। এই সব নিয়ে তিনি মিড-ডে-মিল অধিকর্তাকে চিঠিও দিয়েছেন। মিড-ডে-মিলে রান্নার জন্য বহু স্কুলেই গ্যাসও দেওয়া হয় না বলে তিনি জানান।
সূত্রের খবর, কেরালায় সব স্কুলেই মিড-ডে-মিল রান্নার জন্য গ্যাস আছে। পড়ুয়াদের হরিয়ানা, কেরালা ইত্যাদি রাজ্যে দুধ, ডিমও দেওয়া হয়। পুষ্টির জন্য প্রতিদিন ভাতের সঙ্গে ডাল, সবজি থাকে।
মিড-ডে-মিলের রান্নার কর্মীদের ভাতাও কেরালা, হরিয়ানা ইত্যাদি রাজ্যে মাসিক ৭ হাজার। ওড়িশায় ৩ হাজার, বিহারে ৩৩০০ দেওয়া হয়। বেশির ভাগ রাজ্যেই তা ৩ হাজারের কম না৷

Be the first to comment